বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

বাচ্চাকে অন্যের সঙ্গে নয়, নিজের সঙ্গে তুলনা করতে শেখান

বাচ্চাকে অন্যের সঙ্গে নয়, নিজের সঙ্গে তুলনা করতে শেখান


বাচ্চাকে অন্যের সঙ্গে নয়, নিজের সঙ্গে তুলনা করতে শেখান
 
প্রতীকী ছবি


মানব বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় শিশুকালে। এই সময় বাচ্চাকে যা শেখানো হয় তাই শেখে। কারণ এই বয়সে শিশুর বিবেক-বুদ্ধি অতটা থাকে না। ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা থাকে না। সুতরাং বাচ্চাকে যা শেখানো হয় তাই শেখে। শিশুর মানসিক বিকাশের পর্যায়ে সবসময় ইতিবাচক কথা বলতে হবে। যেমন : বাচ্চা কোনো ভুল করলে বলা যাবে না তুমি এটি কার কাছ থেকে শিখেছ? তাহলে বাচ্চা অন্যের ওপরে দোষ চাপিয়ে দিতে পারে, মিথ্যা কথা বলা শিখতে পারে? বলতে হবে : তুমি এটা কেন করেছ? এতে বাচ্চা ভুল স্বীকার করে নেবে এবং সত্য কথা বলা শিখবে।

সবচেয়ে বড়ো যে ভুলটি আমরা করি সেটি হলো : অন্য বাচ্চার সঙ্গে তুলনা করে বসি। এই তুলনা হতে পারে পড়াশোনায়, খেলাধুলায়, কাজকর্মে, ধর্মীয় রীতিনীতি পালন ইত্যাদি বিষয়ে। কিন্তু প্রশ্ন হলো— এই তুলনা কি বাচ্চাকে আরো আত্মবিশ্বাসী করে তোলে?

অবশ্যই না। বাচ্চা কেন, পৃথিবীতে কারো সঙ্গেই কারোর তুলনা করতে নেই। কারণ প্রতিটা মানুষই সম্পূর্ণ আলাদা ও অনন্য। সবাই সবদিকে সমান হবে না এটাই স্বাভাবিক। একেকজন একেকদিক দিয়ে পারদর্শী হবে।

বাচ্চাকে তুলনা করলে তার আত্মবিশ্বাস কমে যায়। নিজেকে অযোগ্য, দুর্বল ভাবতে শুরু করে। নিজের জীবনের প্রতি খেয়াল না রেখে অন্যের জীবনে পড়ে থাকে। অপরের চিন্তাভাবনা, কাজকর্মকে অনুসরণ করে। এতে নিজের স্বকীয়তাকে হারিয়ে ফেলে। সবাইকে তার প্রতিযোগী মনে করে। সরল দুনিয়াটাকে জটিল বানিয়ে ফেলে।

বাচ্চার স্পৃহা বাড়ানোর জন্য অনেক বাবা-মা নিজের সন্তানকে অন্যের সন্তানের সঙ্গে তুলনা করেন। এমন করলে একটা বাচ্চার ওপর দিয়ে কেমন অসুস্থ মানসিক চাপ বয়ে যায় তা বুঝতে পারে না। এসব বাবা-মা কখনো ভাবে না যে, এই বাচ্চাটাই যদি তার বাবা-মাকে অন্যের বাবা-মায়ের সঙ্গে তুলনা করত তাহলে কেমন লাগত!

তুলনা করতে হবে তবে অন্যের সঙ্গে নয়, আমার গতকালের সঙ্গে আমার আজকের। নিজের সঙ্গে তুলনা করলে নিজের সক্ষমতা, দুর্বলতা সম্পর্কে জানা যায়। কারণ মনে রাখতে হবে :

নিজের সঙ্গে তুলনা করলে মানুষ অতুলনীয় হয়ে ওঠে আর অন্যের সঙ্গে তুলনা করলে মানুষ হিংসুক হয়ে ওঠে।


লেখক : হাসান তাসনিম শাওন
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Comments