Posts

Showing posts with the label child

বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

কীভাবে কথা বললে সন্তান শুনবে?

Image
কীভাবে কথা বললে সন্তান শুনবে? এহসান হক Prothomalo সন্তানকে বোঝাতে হবে ইতিবাচকভাবে লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সবাই বাসায় একসঙ্গে পুরোটা সময়। কেউ কেউ হয়তো সন্তানদের পড়ালেখার ব্যাপারটি দেখেছেন আর হতাশ হয়ে ভাবছেন, ‘এই কথা না শোনা বেয়াড়া সন্তানদের কী করে মানুষ করব?’ আর সেই সঙ্গে সন্তানেরা হয়তো ভাবছেন, ‘আমাদের মা–বাবা একদম সনাতন আমলের, কথা শুনতেই চায় না।’ এই অচল পরিস্থিতি সামাল দিতে পড়তে পারেন আডেল ফ্যাবার এবং এলেইন মজলিশের লেখা এক কালজয়ী বই, হাউ টু টক সো কিডস উইল লিসেন অ্যান্ড লিসেন সো কিডস উইল টক। বইটি পড়ে আমার খুব ভালো লেগেছে বলেই বই থেকে কিছু বিষয় তুলে ধরার চেস্টা করছি।  উপদেশ নয়, সন্তানদের অনুভুতিকে বোঝার চেষ্টা করুন।  নিচের কথোপকথনটা খেয়াল করুন।  সন্তান: (মন খারাপ করে) আমার পোষা মাছটি আজকে মারা গেছে।  অভিভাবক: কান্নাকাটি কোরো না, বাবু। করোনাভাইরাসের ...

শিশু কম কথা বলে?

Image
শিশু কম কথা বলে? Kalerkantha অন্য সব শিশু যখন পুরো বাড়ি মাথায় তুলে রাখে সেখানে আপনার শিশু ব্যতিক্রম? কম কথা বলে, সহজে প্রশ্ন করতে চায় না। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগার সুযোগ নেই বলে জানালেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুনতাসীর মারুফ। লিখেছেন আতিফ আতাউর ছয় বছরের ইমাকে নিয়ে অফিসের ফ্যামিলি ডেতে এসেছিলেন তার মা-বাবা। সেদিন অফিসের সহকর্মীদের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে নানা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হয়। অন্য সব বাচ্চা যেখানে খেলার মাঠ মাতিয়ে বেড়াচ্ছে সেখানে ইমা একেবারেই চুপ। সমবয়সী দুজন তাকে ডাকল খেলায় অংশ নিতে। কিন্তু সে গেল না। মা-বাবা সবার সঙ্গে খেলতে উত্সাহ দিলেও সে নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত। ইমার সবার সঙ্গে কম মেলামেশা নিয়ে খানিকটা দ্বিধাগ্রস্ত মা-বাবা। এটা কি কোনো অসুখ? মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এটা কোনো অসুখ নয়। এ নিয়ে আলাদা দুশ্চিন্তারও অবকাশ নেই। শিশুরা সাধারণত চঞ্চল হয়, তবে এর ব্যতিক্রমও আছে। এমন অনেক শিশু আছে যারা কম কথা বলা পছন্দ করে। হইচই কিংবা লোক সমাগমও এড়িয়ে চলে। শিশুদের একজনের থেকে আরেকজনের এই ভিন্নতা জন্মগত। অনেক শিশু...

সন্তান মানুষ করার শিল্পকলা

Image
সন্তান মানুষ করার শিল্পকলা প্রতীকী ছবি     যখনই কোনো সন্তানের জন্ম হয়, বেশির ভাগ লোক এটা ধরে নেন যে, তখনই তাদের শিক্ষক হওয়ার সময় এসে গেছে। যখন আপনার বাড়িতে একটি শিশুর আগমন ঘটে, তখন সেটা শিক্ষক হওয়ার সময় নয়, এটা শেখবার সময়, কারণ আপনি যদি আপনার নিজের দিকে তাকিয়ে দেখেন এবং সন্তানের দিকে দেখেন, দেখবেন আপনার সন্তান অনেক বেশি আনন্দময়, তাই না? তাই এটা আপনার তাদের কাছে জীবনের শিক্ষা নেওয়ার সময়, উলটোটা নয়। একমাত্র জিনিস যেটা আপনি নিজের সন্তানকে শেখাতে পারেন, সেটা হলো—কীভাবে জীবনটা টিকিয়ে রাখতে হবে। শুধু এটুকুই আপনার করা প্রয়োজন; কিন্তু স্বয়ং জীবনের কথা যখন আসে, একটি শিশু অনুভবের স্তরে নিজে থেকেই জীবনের বিষয়ে অনেক বেশি জানে। সে নিজেই জীবন; এটা সে জানে। এমনকি আপনিও, যদি আপনার মনের ওপর যেসব প্রভাবগুলো চাপিয়ে দিয়েছেন, সেগুলো সরিয়ে নেন, তাহলে আপনার প্রাণশক্তিও জানে ঠিক কীভাবে ‘থাকা প্রয়োজন’। শুধু আপনার মনটাই জানে না ঠিক কীভাবে ‘হতে হয়’। একজন মানুষ অনেক রকমের যন্ত্রণা ভোগ করার ক্ষমতা রাখেন—কল্...

শিশুর সঙ্গে আপনার আচরণ, কোথাও ভুল হচ্ছে না তো?

Image
শিশুর সঙ্গে আপনার আচরণ, কোথাও ভুল হচ্ছে না তো? শিশু সঙ্গে আপনার আচরণ, কোথাও ভুল হচ্ছে না তো? ছবি: ইত্তেফাক।     দীর্ঘ সময় পার করা এই মানব সভ্যতায় অনেক প্রশ্নের সঠিক উত্তর খুঁজে পেলেও এখনো নিজ সন্তানের লালন-পালন নিয়ে সংশয়ে ভোগেন বাবা-মা। বাংলাদেশে এক সময় কঠোর শাসনে সন্তান লালন-পালনের নিয়ম প্রচলিত থাকলেও ধীরে ধীরে সেই ধারণা থেকে বের হয়ে আসছেন আধুনিক বাবা-মা। কিন্তু নতুন লালন-পালনের এই নিয়মগুলো নিয়ে রয়ে গেছে অনেক সংশয়। ইদানীং পরিবারগুলো ছোট হয়ে আসায় শিশুর দেখাশুনার মূল দায়িত্ব একাই পালন করে যান মা। আর বাবা-মা উভয় কর্মজীবী হলে এর ফল আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠে। সারাদিন শেষে বাবা-মাকে পেয়ে শিশুরা বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখাবার পাশাপাশি কখনো কখনো খিটখিটে মেজাজের হয়ে ওঠে। বিষয়টিকে সামলাতে মাঝে মধ্যে মা-বাবা বকা দেন শিশুদের। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের শিশু বিষয়ক সংস্থা আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়েট্রিকস জানায়, এটি করলে শিশু আরো বেশি খিটখিটে মেজাজের হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে তাদের ব্যক্তি ও মানসিক গঠনে বড় ধরণের পরিবর্তন নি...

বাচ্চাকে অন্যের সঙ্গে নয়, নিজের সঙ্গে তুলনা করতে শেখান

Image
বাচ্চাকে অন্যের সঙ্গে নয়, নিজের সঙ্গে তুলনা করতে শেখান     প্রতীকী ছবি মানব বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় শিশুকালে। এই সময় বাচ্চাকে যা শেখানো হয় তাই শেখে। কারণ এই বয়সে শিশুর বিবেক-বুদ্ধি অতটা থাকে না। ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা থাকে না। সুতরাং বাচ্চাকে যা শেখানো হয় তাই শেখে। শিশুর মানসিক বিকাশের পর্যায়ে সবসময় ইতিবাচক কথা বলতে হবে। যেমন : বাচ্চা কোনো ভুল করলে বলা যাবে না তুমি এটি কার কাছ থেকে শিখেছ? তাহলে বাচ্চা অন্যের ওপরে দোষ চাপিয়ে দিতে পারে, মিথ্যা কথা বলা শিখতে পারে? বলতে হবে : তুমি এটা কেন করেছ? এতে বাচ্চা ভুল স্বীকার করে নেবে এবং সত্য কথা বলা শিখবে। সবচেয়ে বড়ো যে ভুলটি আমরা করি সেটি হলো : অন্য বাচ্চার সঙ্গে তুলনা করে বসি। এই তুলনা হতে পারে পড়াশোনায়, খেলাধুলায়, কাজকর্মে, ধর্মীয় রীতিনীতি পালন ইত্যাদি বিষয়ে। কিন্তু প্রশ্ন হলো— এই তুলনা কি বাচ্চাকে আরো আত্মবিশ্বাসী করে তোলে? অবশ্যই না। বাচ্চা কেন, পৃথিবীতে কারো সঙ্গেই কারোর তুলনা করতে নেই। কারণ প্রতিটা মানুষই সম্পূর্ণ আলাদা ও অনন্য। স...

শিশুর কাপড় পরিষ্কারে করণীয়

Image
শিশুর কাপড় পরিষ্কারে করণীয়   লাইফস্টাইল ডেস্ক, আইএএনএস/ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ছবি: রয়টার্স। সাধারণত যে ‘ডিটারজেন্ট’ ব্যবহার করা হয় তা হয়ত সন্তানের জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে। শিশুর ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল। তাই বেছে নিতে হবে মৃদু মাত্রার ‘ডিটারজেন্ট’। সাধারণ ‘ডিটারজেন্ট’ কাপড় পরিষ্কার করে ঠিক, তবে কাপড়ে ‘ডিটারজেন্ট’ কিছুটা থেকেই যায় যা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সমস্যা না হলেও শিশুর সংবেদনশীল ত্বকে সৃষ্টি করতে পারে জ্বালাপোড়া, অস্বস্তি, অ্যালার্জি। ভারতের হিমালয়া ড্রাগ কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত ‘ডিসকোভারি সাইন্সেস গ্রুপ’য়ের সুভাশিনি এন.এস বলেন, “সাধারণ ডিটারজেন্ট কাপড়ের বুননের ফাঁকে আটকে যায়, যা পরিধানকারীর ত্বকের সংস্পর্শে থাকে সবসময়। এথেকেই সৃষ্টি হয় অ্যালার্জি ও অন্যান্য অস্বস্তিকর অনুভূতি। তাই নবজাতকের কাপড় পরিষ্কারের জন্য বিশেষ ‘ডিটারজেন্ট’ ব্যবহার করা নিরাপদ হবে।” কোন ‘ডিটারজেন্ট’ ভালো হবে সে ব্যাপারেও পরামর্শ দেন সুভাশিনি। তিনি বলেন, “প্রথম ধাপ হবে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান নেই এমন ‘ডিটারজেন্ট’ খুঁজে বের করা। ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে আছে ফসফরাস, প্যারাবেনস, ...

শিশুর হাঁটতে দেরি হলেও ভয় নেই

Image
শিশুর হাঁটতে দেরি হলেও ভয় নেই এহেছান লেনিন,  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম শিশুর বেড়ে ওঠার প্রথম কয়েকটি বছর বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম হাসা, প্রথম বসা; কিংবা হামাগুড়ির প্রথম স্মৃতি- সে কী ভোলা যায়। গুটিগুটি পায়ে টলমল হাঁটার মিষ্টি ক্ষণ লেপ্টে থাকে আজীবন বাবা-মায়ের মগজে। সন্তানের হাঁটতে শেখায় দেরি দেখে অনেক বাবা-মা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। একই বয়সের অন্য শিশুকে হাঁটতে দেখেই মূলত এই চিন্তার উপসর্গ দেখা যায়। তবে অনেকেই হয়ত জানেন না, সব শিশু একই সময়ে হাঁটে না; কেউ কম সময় নেয়, কেউ খানিকটা বেশি।  এ সম্পর্কে অভিভাবক-বিষয়ক কয়েকটি ওয়েবসাইটে জানানো হয়, সাধারণত শিশু তার প্রথম জন্মদিনের আশেপাশে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ শুরু করে। তবে ৯ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই শিশুরা হাঁটতে শিখে যায়। হাঁটার আগে হামাগুড়ি দেওয়া একটি স্বাভাবিক বিষয়। হামাগুড়ি না দিয়ে হাঁটতে শুরু করলেও অবাক হওয়ার কারণ নেই; কোনো কোনো শিশু হামাগুড়ি না দিয়েই হাঁটতে শুরু করে! শিশুর শরীরের বিকাশের এই পর্যায়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সে তার হাত এবং পায়ের ব্যবহার করতে শ...

শিশুর ঘুমের সময় পরিবর্তন করতে

Image
শিশুর ঘুমের সময় পরিবর্তন করতে   লাইফস্টাইল ডেস্ক  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নবজাতক শিশু দিন ও রাতের পার্থক্য বোঝে না। এমনিতে যদিও তারা দিনের বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে কাটায়। তবে যখন বাবা মায়েরা বিশ্রাম নেন তখন দেখা যায় সন্তান জেগে বসে আছে। সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুকে কীভাবে ঘুমের সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে তাই জানিয়েছে অভিভাবকত্ব নিয়ে পরামর্শ দেয় এমন একটি ওয়েবসাইট— দিন ও রাতের পার্থক্য বুঝতে পারা: শিশুদের ঘুমের সময়টা লম্বা হলেও তারা দিন রাতে পার্থক্য করতে পারে না। একটা শিশুর ঘুমের ধরণ ঠিক করার প্রথম ধাপ হচ্ছে তাকে দিন ও রাতের মধ্যের পার্থক্য তৈরি করতে সাহায্য করা। শিশুকে বোঝাতে হবে দিনের সঙ্গে জেগে থাকার এবং রাতের সঙ্গে ঘুমানোর একটি সম্পর্ক রয়েছে। সারাদিন শিশুকে কিছুটা ব্যস্ততার অনুভব দিতে হবে, কথা বলে, হাত পা নাড়িয়ে দিয়ে দিনের জাগরণের অনুভূতি বোঝানো যেতে পারে। রাত হলে এসব ব্যস্ততা কমিয়ে আনতে হবে, চোখে চোখ রেখে বা জোরে শব্দ করে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। ঘরের আলো ও শব্দ কমিয়ে শিশুর মনে এই প্রভাব দিতে হবে ...

সন্তানের বন্ধু হওয়া

Image
সন্তানের বন্ধু হওয়া লাইফস্টাইল ডেস্ক,    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করতে পারলে সন্তান লালন-পালন যেমন সহজ হয় তেমনি সন্তানও বেড়ে ওঠে একজন স্বয়ং সম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে। একটা শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য তার বাবা মায়ের সহযোগিতা অপরিহার্য। অনেক বাবা মা শিশুকে বড় করেন এমন একটা মানসিকতা নিয়ে যে, শিশুরা কিছুই জানে না, তাকে শেখাতে হবে এবং প্রয়োজনে কড়া শাসন করতে হবে। তবে এমন অনেক বাবা-মা আছেন যারা শিশুকে একজন আলাদা মানুষ হিসেবে গুরুত্ব দেন এবং বন্ধুর মতো শিশুর কথাগুলো শোনেন ও ধৈর্য নিয়ে শিশুর বিষয়গুলো সমাধান করেন। শিশুর লালনপালন-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইট জানিয়েছে, যে যেভাবেই শিশুকে লালন-পালনে বিশ্বাস রাখুক না কেনো শিশুর সঙ্গে বন্ধুত্ব করায় ক্ষতিকর কিছু নেই। বরং শিশুর সঙ্গে বন্ধুত্ব করলে ভবিষ্যতে জীবনে তার কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। উদাহরণ স্থাপন করা: শিশুরা যত না শুনে শেখে তার চেয়ে অনেক বেশি দেখে শেখে। সঙ্গে তারা এটাও লক্ষ করে কোন কাজটা বাবা-মা নিজে করছে না কিন্তু ওকে করতে ব...

শিশুর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ভুল ধারণা

Image
শিশুর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ভুল ধারণা লাইফস্টাইল ডেস্ক,    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম সন্তান পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছে কিনা বা কোন খাবার তার জন্য ক্ষতিকর— এমন নানান চিন্তায় ভুগতে থাকেন তাদের মায়েরা। এক্ষেত্রে প্রচলিত আছে কিছু ভুল ধারণাও। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে শিশুদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা উল্লেখ করা হয়। মায়েরা শিশুদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কিছু ধারণা পোষণ করেন যা সত্যি নয়। এই ধরনের ভুলগুলো এবং এর মূল দিক এখানে তুলে ধরা হল। ভুল ধারণা ১- বেশি চিনিজাতীয় খাবার শিশুর অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়- চিনিজাতীয় খাবার শরীরে শক্তি সঞ্চার করে। তবে এর সঙ্গে অস্থিরতার তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। আর এটি গবেষকরা বেশ কিছু গবেষণার মাধ্যমেই প্রমাণ করেছেন। অনেক সময় ছোটরা অস্থির ও খিটখিটে হয়ে যেতে পারে। তবে এর কারণ চিনি নয় বরং অপর্যাপ্ত খুব এবং সঠিক পুষ্টির অভাব হতে পারে। খাবারে আয়রনের অভাব এবং শরীরিক কসরতের অভাবে শিশুদের আচরণে এ ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। ভুল ধারণা ২- বড়দের থেকে শিশুরা বেশি বেছে খায়- শিশুদের বয়সের সঙ্গে তাদের খ...

খাবার নিয়ে খুঁতখুঁতে শিশু

Image
খাবার নিয়ে খুঁতখুঁতে শিশু লাইফস্টাইল ডেস্ক,    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম শিশুরা খাবার নিয়ে বাহানা করবেই, তাই বলে তাদের পুষ্টি ঘাটতি হতে দেওয়া যাবে না। খাবার নিয়ে খুঁতখুঁতে শিশুদের খাওয়ানোর জন্য হতে হবে কৌশলী। শিশুবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় শিশুদের খাবার খাওয়ানোর কৌশল সম্পর্কে। শিশু ঠিকমতো খাবার না খেলে তার শরীরে পুষ্টির চাহিদা ঠিকমতো পূরণ হচ্ছে কিনা তা জানতে শিশুরোগবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন। যদি সব ঠিকঠাক থাকে তাহলে শিশু কোনো একবেলার খাবার বা নির্দিষ্ট কোনো খাবার খেতে না চাইলেও সমস্যা নেই। শিশু যদি কর্মতৎপর এবং সুস্থ থাকে তাহলে খাবার নিয়ে খুঁতখুঁতে হলেও এটা নিয়ে খুব একটা দুশচিন্তার কারণ নেই। তবে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয় বা পুষ্টিহীনতা দেখা দেয় তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এর সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদ কেলি ডর্ফম্যান তার ‘হোয়াট’স ইটিং ইয়োর চাইল্ড?’ বইতে শিশুকে খাওয়ানোর কিছু কৌশল জানান। বাদ দিন: প্রথমেই শিশু যে খাবারগুলো খেতে পছন্দ করে না সেগুলো বাদ দিন। ...

শিশুরা কি রেসের ঘোড়া?

Image
শিশুরা কি রেসের ঘোড়া? আমিরুল আলম খান ০৪ মার্চ ২০২০,      প্রথম আলো       শিক্ষাবিদ ও পাবলিক পরীক্ষার কাজে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি বলছেন, এর ফলে শিক্ষার্থীদের ওপর আরও চাপ এবং কোচিং ও প্রাইভেটের ওপর নির্ভরতাও বাড়বে। আবার কোনো কোনো শিক্ষাবিদ মনে করেন, ওপরের দিকে নম্বরের স্তর একাধিক হওয়াই ভালো। যারা খুব ভালো শিক্ষার্থী, তারাই সেটা অর্জন করবে। খবরটা পড়ে আমি শিউরে উঠেছি। বুকটা ধকধকিয়ে কাঁপছে। প্রথম আলোর খবরে বলা হচ্ছে, ‘পাবলিক পরীক্ষায় ফলের সর্বোচ্চ সূচক ‘এ’ প্লাস পেতে হলে একজন শিক্ষার্থীকে ৯০ থেকে ১০০-এর মধ্যে নম্বর পেতে হবে। এর মাধ্যমে ‘এ’ প্লাস পাওয়া বা সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ (জিপিএ) অর্জন করা কঠিন হবে বলে শিক্ষকদের অনেকেই মনে করছেন। ...চলতি বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা থেকে...

শুরুতেই শিশুকে শক্ত খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কিছু পন্থা

Image
শিশুকে শক্ত খাবার খাওয়াতে লাইফস্টাইল ডেস্ক,    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জন্মের পর শিশুরা মায়ের দুধ এবং তরল খাবারই খেয়ে থাকে, একটা সময় তাদের মুখে শক্ত ও সুষম খাবার তুলে দিতে হয়। এই অভ্যাস পরিবর্তনের সময়ে সচেতন থাকা দরকার। শিশুবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে, শুরুতেই শিশুকে শক্ত খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কিছু পন্থা জানানো হয়। লক্ষণগুলো খেয়াল করুন: পাঁচ থেকে ছয় মাস বয়সের থেকে শিশুকে শক্ত খাবার খাওয়ানো শুরু করতে হয়। তবে শিশু যখন শক্ত খাবার খাওয়ার জন্য কিছুটা তৈরি হয় তখন কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যেমন শিশুর ওজন বৃদ্ধি, বসার চেষ্টা করা, বড়রা খাওয়ার সময় খাবারের দিকে আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকা ইত্যাদি। কীভাবে শুরু করবেন: শুরুতে এক থেকে দুই চামচ সিরিয়াল দিনে দুবার খাওয়ানোই শিশুর জন্য যথেষ্ট। দুএক মাস পর শক্ত খাবার নরমভাবে রান্না বা ব্লেন্ড করে খাওয়ানো শুরু করুন। শিশুকে খাওয়ানোর জন্য নরম প্লাস্টিকের চামচ ব্যবহার করতে হবে। তবে শক্ত খাবারের পাশাপাশি বুকের দুধ খাওয়ানো এবং শিশুর জন্য উপযোগী বিশেষ দুধ খাওয়ানো বন...

স্থূলকায় শিশু মানেই সবল নয়

Image
স্থূলকায় শিশু মানেই সবল নয়   লাইফস্টাইল ডেস্ক,  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ছবি: রয়টার্স। বর্তমানে ‘শিশুর স্থূলতা’ একটি আলোচিত বিষয়। আর এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্ট ফুড এবং শিশু পছন্দ করে এমন খাবার ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘দ্যা ইন্ডিয়ান জার্নাল অব এন্ড্রোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজম’য়ের এক পরিসংখ্যান থেকে শিশুর স্থূলতা বিষয়ে বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল সম্পর্কে জানা যায়। ভারতের স্কুলগামী শিশুদের ৫.৭৪ এবং ৮.৮২ শতাংশ শিশু স্থূলতার শিকার। এবং দক্ষিণ ভারতের শহরাঞ্চলে ২১.৪ শতাংশ ছেলে শিশু ও ১৮.৫ শতাংশ মেয়ে শিশু স্থূলতার শিকার যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। ২০০০ সালের ‘দ্যা ইন্টারন্যাশনাল ওবেসিটি টাস্ক ফোর্স’য়ের গবেষণা অনুযায়ী সারা বিশ্বের বয়সের ৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে ১০ শতাংশ শিশু (প্রায় ১৫ কোটি ৫০ লক্ষ) অতিরিক্ত ওজনের অধিকারী যার মধ্যে দুই তৃতীয়াংশই (প্রায় ৩ কোটি থেকে ৪ কোটি ৫০ লক্ষ) স্থূলকায়। স্থূল শিশু মানেই সুস্থ শিশু নয়  প্রচলিত ধারণা আছে যে...

‘প্রিম্যাচিউর’ শিশুদের অনেকেরই অন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

Image
হয়ত সেও দেখতে পেত পৃথিবী শান্তা মারিয়া  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম   Published: 03 Mar 2020 11:52 AM    ছবি: রয়টার্স। ‘প্রিম্যাচিউর’ শিশুদের অনেকেরই অন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।   শিশুটির বয়স তিন বছর। বাবা মা তাকে নিয়ে এসেছেন চোখের ডাক্তারের কাছে। শিশুটি কিছু দেখতে পায় না। পৃথিবীতে এত আলো। কিন্তু ওর ছোট দুটি চোখে শুধু অন্ধকার। ডাক্তার অনেকক্ষণ ধরে ওকে পরীক্ষা করলেন। তারপর জানালেন, যদি ওর জন্মের ৩০ দিনের মধ্যে চিকিৎসা করা হতো তাহলে আজ অন্য দশজন শিশুর মতো সেও দুচোখ মেলে দেখতো সব আলো, সব রং। ‘রেটিনোপ্যাথি অফ প্রিম্যাচিউরিটি’ সংক্ষেপে ‘আরওপি’। ‘প্রিম্যাচিউরিটি’ বা পূর্ণ সময় গর্ভবাসের আগেই অনেক শিশু জন্মগ্রহণ করে। তাদের ওজনও হয় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। এই স্বল্প ওজনের শিশুদের মধ্যে আরওপির শিকার হয় অনেক শিশু। তারা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়ে যেতে পারে। অথচ জন্মের পর ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সঠিক চিকিৎসা করতে পারলে তাদের বাঁচানো যেতে পারে অন্ধ হওয়ার দুর্গতি থেকে। ৩৪ সপ্তাহের আগে যে শিশু জন্মগ্রহ...