বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

খাবার নিয়ে খুঁতখুঁতে শিশু

খাবার নিয়ে খুঁতখুঁতে শিশু


শিশুবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় শিশুদের খাবার খাওয়ানোর কৌশল সম্পর্কে।
শিশু ঠিকমতো খাবার না খেলে তার শরীরে পুষ্টির চাহিদা ঠিকমতো পূরণ হচ্ছে কিনা তা জানতে শিশুরোগবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।

যদি সব ঠিকঠাক থাকে তাহলে শিশু কোনো একবেলার খাবার বা নির্দিষ্ট কোনো খাবার খেতে না চাইলেও সমস্যা নেই। শিশু যদি কর্মতৎপর এবং সুস্থ থাকে তাহলে খাবার নিয়ে খুঁতখুঁতে হলেও এটা নিয়ে খুব একটা দুশচিন্তার কারণ নেই।
তবে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয় বা পুষ্টিহীনতা দেখা দেয় তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এর সমাধানের চেষ্টা করা উচিত।
যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদ কেলি ডর্ফম্যান তার ‘হোয়াট’স ইটিং ইয়োর চাইল্ড?’ বইতে শিশুকে খাওয়ানোর কিছু কৌশল জানান।

বাদ দিন: প্রথমেই শিশু যে খাবারগুলো খেতে পছন্দ করে না সেগুলো বাদ দিন। যেসব খাবার অতিরিক্ত শর্করাযুক্ত বা প্রক্রিয়াজাত সেগুলো বাদ দিন।  যেসব খাবার খেতে চায় না সেগুলো খেলে হয়ত তার অসুবিধা হয়। অপছন্দের খাবার বাদ দেওয়ার প্রেক্ষিতে অন্য খাবার সংযুক্ত করুন।

যুক্ত করুন: শিশুর অপছন্দের খাবার বাদ দেওয়ার পর তাকে জানান যে, প্রতি দুই সপ্তাহে একটি করে নতুন খাবার যোগ করবেন। এটা হতে পারে আলু অথবা মটরজাতীয় খাবার। মনে রাখবেন যেকোনো একটা খাবারই যোগ করতে হবে। এর মাধ্যমে বুঝতে পারবেন আসলেই তার ওই খাবারে কোনো অসুবিধা হয়, নাকি এটা তার মানসিক অনুভূতি। যদি দেখেন যে সত্যি এতে শিশুর কোনো অসুবিধা হচ্ছে তাহলে সেটা বাদ দিন। আর যদি এটা কেবল তার মানসিক অনুভূতি হয় তাহলে তাকে সেটা বুঝিয়ে বলুন।

চেষ্টা করুন: শিশু যদি প্রতিদিন এক কামড় করেও নতুন খাবার খায় সেটা তার জন্য উপকারী। খেতে না চাইলেও স্বাদ গ্রহণের জন্য যদি দুসপ্তাহ কেবল এক কামড় করে একই খাবার খাওনো যায় সেটা তার পুষ্টি চাহিদা পূরণ করবে।

ছবির প্রতীকী মডেল: রুহান। ছবি: প্রামানিক।

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা