Posts

বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

‘ভাই, আমার এই ভুঁড়ি কমবে তো?’

Image
‘ভাই, আমার এই ভুঁড়ি কমবে তো?’ মো. নাদিম রাসেল Prothom Alo     বাঙালি ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যসচেতন হচ্ছে। আগের মতন শুক্রবার সারা দিন ভূরিভোজের আর বায়না করে না বা রাতের বেলায় রেস্টুরেন্টে আর সেলফি নিয়ে মেতে থাকে না। তার রোজের শব্দতালিকায় কিটো ডায়েট, জিম, টোনড বডি, ক্যালরি ইনটেক, ট্রেড মিল, লেবু গরম পানি প্রভৃতি শব্দবন্ধ জায়গা পেয়েছে। বাঙালি এখন জিমমুখী হয়েছে বা হালের আমলে একজন চিকিৎসকের ইউটিউব (তার ভিডিও ভাইরাল) নিয়ে সেই লেভেলের ব্যস্ত। প্রমাণ হিসেবে প্রথমেই জিমের ট্রেনারের সঙ্গে নিজের একটা ছবি দেয়, ক্যাপশনে থাকে, ‘মি উইথ মাই ট্রেনার।’ সঙ্গে থাকে ভোরবেলা দৌড়ের সেই রকম একটা মার্ক মারা ছবি। তারপর সে স্বাস্থ্যসচেতনতা আর ডায়েটের উপকারিতা নিয়ে পোস্ট নামায়। কেউ বিরিয়ানির ছবি দিলে সেই পোস্টে অ্যাংরি ইমো দিয়ে কমেন্টে লেখে, ‘জানিস না আমি ডায়েটে আছি? এসব ছবি কেন দিস?’ এরপর স্যাড ইমো। সচরাচর বাঙালি জিমে যায় ভুঁড়ি কমাতে। প্রথমেই জিমে যায় না। প্রথমে ইউটিউব দ...

বিপদ আপতিত হলে যা করণীয়

Image
বিপদ আপতিত হলে যা করণীয় এ. কে. এম. ফজলুর রহমান মুন্শী | দৈনিক ইনকিলাব আপদ-বিপদ, বালা-মুসিবত, দুঃখ-কষ্ট, যাতনা-যন্ত্রণা, মহামারী ইত্যাদি পৃথিবীর জীবনে দেখা দেয়া বিচিত্র নয়। অনেক সময় নিজের অজান্তেই মানুষ এ সকল প্রতিকুলতার শিকার হয়। আবার কখনো কখনো আল্লাহর পরীক্ষা স্বরূপ তা বান্দাহর ওপর আপতিত হয়। আল কোরআনে মহান রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন, ‘আমি তোমাদের ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়-ক্ষতি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করব। (হে প্রিয় হাবীব, আপনি) শুভ সংবাদ দিন ধৈর্যশীলগণকে। যারা তাদের ওপর বিপদ আপতিত হলে বলে, আমরা তো আল্লাহরই অনুগত এবং নিশ্চিতভাবে তার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। (সূরা বাকারাহ : ১৫৫-১৫৬)। বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিরা যখন কায়মনে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বেশি বেশি পাঠ করে ও আল্লাহপাকের সকাশে আত্মসমর্পণ করে, তখন আল্লাহপাকের পক্ষ হতে তাদের ওপর তার আশীষ ও দয়া বর্ষিত হতে থাকে। এ প্রসঙ্গে আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে: ‘যাদের প্রতি তাদের প্রতিপালকের নিকট হতে আশীষ ও দয়া বর্ষিত হয় এবং তারাই সৎপথে পরিচালিত।’ (সূরা ব...

মাস্ক পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে

Image
মাস্ক পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে লাইফস্টাইল ডেস্ক যুগান্তর  ছবি সংগৃহীত   মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বেশিরভাগ মানুষ এখন মাস্ক ব্যবহার করে থাকেন। শুধু পরলেই হবে না, নিয়মিত মাস্ক পরিষ্কারও করতে হবে। কারণ অপরিষ্কার মাস্ক ব্যবহার করে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। সার্জিক্যাল মাস্ক একবার পরেই ফেলে দিতে হয়। তবে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহারের জন্য এন৯৫ মাস্কসহ সুতির কাপড়ের মাস্ক বা টেরিলিন কাপড়ের মাস্ক এমনকি ঘরোয়া উপায়ে বানানো মাস্কও পরিষ্কার করতে হবে। যেভাবে মাস্ক পরিষ্কার করবেন ১. মাস্কে সরাসরি হাত দেবেন না। ঘরে ফেরার পর মাস্ক খুলুন দড়ি, ফিতে বা রাবার ব্যান্ডের অংশ ধরে। ২. সাবান বা ডিটারজেন্ট পানিতে ভিজিয়ে ধুয়ে নিন। ৩. মাস্ক ধোয়ার পর জীবাণুনাশক লোশনে ডুবিয়ে ঝুলিয়ে রাখুন ছাদের কোনো আংটায়। কড়া রোদে শুকোতে দিতে পারল উত্তম। ৪. গরম পানিতেও মাস্ক ফুটিয়ে নিতে পারেন। এতে জীবাণুমুক্ত হবে মাস্ক। ৫. শুকানোর সময় মাস্কের মূল অংশে ধুলোবালি যেন না লাগে। ৬. শুকানোর পর তাকে ৫-৭ মিনিট ধরে ইস্ত্রি করে নিলেই...

জেনে নিন নামাজ পড়ার সংক্ষিপ্ত নিয়ম

Image
জেনে নিন নামাজ পড়ার সংক্ষিপ্ত নিয়ম মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ     Prothom Alo উপমহাদেশে বেশির ভাগ মুসলমান হানাফি মাজহাব অনুসরণ করে থাকে। তাই হানাফি মাজহাব অনুসারে নামাজ পড়ার সংক্ষিপ্ত নিয়ম উল্লেখ করা হল- প্রথমে অজুসহকারে দাঁড়িয়ে যান। নামাজের নিয়ত করে উভয় হাত কান পর্যন্ত উঠান। তাকবিরে তাহরিমা বলার পর বাঁ হাতের ওপর ডান হাত রেখে নাভির নিচে রাখুন। এরপর অনুচ্চৈঃস্বরে বলুন, উচ্চারণ : ‘সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়াবি হামদিকা ওয়া তাবারা কাসমুকা ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।’ অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা তোমারই পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করছি, তোমার নামই বরকতপূর্ণ এবং তোমার গৌরবই সর্বোচ্চ, তুমি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। (নাসায়ি, হাদিস : ৮৮৯) এরপর অনুচ্চৈঃস্বরে আউজুবিল্লাহ (আউজু বিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজিম), তারপর বিসমিল্লাহ (বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম) পড়ুন। (তাহাবি : ১/৩৪৭) এবার সুরা ফাতিহা পড়ুন। শেষ হলে অনুচ্চৈঃস্বরে আমিন বলুন। হানাফি মাজহাব মতে, আমিন আস্তে পড়া উত্তম। তবে জোরে আমিন বলার ব্যাপারে ইমামদের মতামত পাওয়া যায়। সুতরাং বিষয়টি নিয়ে বি...

অতিরিক্ত ওজন কমাবে যে চা

Image
অতিরিক্ত ওজন কমাবে যে চা Jugantor     অতিরিক্ত ওজন কমাবে জিরা চা। ছবি সংগৃহীত   ওজন কমানোর জন্য অনেক কিছুই করে থাকেন আপনি। খাওয়ার রুটিন থেকে শুরু করে শরীরচর্চা সব কিছুই করছেন। তবুও কমছে না ওজন। অনেকে জিরা পানির কথা শুনলেও জিরা চা হয়তো খাননি। আপনি জানেন কী? নিয়মিত জিরা চা পান করলে হজমশক্তি ভালো হয় ও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীরে জমে থাকা বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কার করে হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় জিরা। আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন জিরা চা- উপকরণ পানি ২ কাপ, আস্ত জিরা ১ টেবিল চামচ, মধু আধা চা চামচ । যেভাবে তৈরি করবেন প্রথমে একটি পাত্রে জিরা হালকা গরম করে নিন। এবার এতে পানি দিয়ে ফুটান। পানি কমে এলে চুলা বন্ধ করে পাঁচ মিনিট ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। এরপর নামিয়ে চা ছেঁকে নিন। স্বাদ বাড়াতে সামান্য মধু যোগ করতে পারেন তবে চিনি নয়। প্রতিদিন সকালে যে চা আমরা নিয়মিত পান করি, তার পরিবর্তে এই জিরা চা খেতে পারেন। এতে আপনার অতিরিক্ত ওজন কমবে।

শখের কাপড়ে নাছোড় দাগ? তুলতে কী করবেন?

Image
শখের কাপড়ে নাছোড় দাগ? তুলতে কী করবেন? Jugantor  শখের কাপড়ে নাছোড় দাগ, ছবি সংগৃহীত     চা বা কফি খেতে গেলে হঠাৎ কাপড়ে দাগ লাগতেই পারে। এই দাগ খুব জটিল হয়। যা অনেক ঘষার পরেও উঠতে চায় না। আবার কালির দাগ ও চুইংগামের দাগও উঠতে চায় না। তাই কাপড়ে দাগ পড়লেই চিন্তায় পড়ে যান আপনি। তবে এই কাপড়ে দাগ তোলার রয়েছে ঘরোয়া উপায়- আসুন জেনে নেই কাপড়ের দাগ তোলার ঘরোয়া উপায়- ১. কাপড়ে কলমের কালির দাগ লাগলে তরল দুধে ভিজিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর ব্রাশ দিয়ে ঘষে উঠিয়ে ফেলুন। ২. তেলের দাগ কাপড়ে পড়লে দাগযুক্ত অংশে লবঙ্গ ছিটিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন পরিষ্কার করার আগে। দূর হবে দাগ। ৩. নেইল পলিশের দাগ লাগলে কাপড়ের সামনের অংশে একটি পেপার ন্যাপকিন চেপে ধরুন। তুলা রিমুভারে ভিজিয়ে পেছনের অংশে ঘষুন। পেপার ন্যাপকিনে উঠে আসবে দাগ। ৪. শার্টের কলার থেকে কালচে দাগ দূর করলে শ্যাম্পু ঘষে নিন। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। ৫. কাপড়ে চায়ের দাগ লাগলে ঠাণ্ডা পানিতে ভেজান। এরপর ডিটারজেন্ট ঘষে রেখে দিন আধা ঘণ্টা। পানি দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। ৬. কাপড়ে চুইংগাম লেগে গেলে এক টুকরো ব...

বিছানায় শুয়ে বই পড়ছেন, হতে পারে ৪ বিপদ!

Image
বিছানায় শুয়ে বই পড়ছেন, হতে পারে ৪ বিপদ! লাইফস্টাইল ডেস্ক   Jugantor   বিছানায় শুয়ে বই পড়ছেন এক নারী। ছবি সংগৃহীত     রাতে বা দিনে বিছানায় শুয়ে বই পড়েন অনেকে। তবে বিছানায় শুয়ে বই পড়া কিন্তু ক্ষতিকর। এ ধরনের অভ্যাস থাকলে আজই পরিবর্তন করতে হবে। রাতে বিছানায় শুয়ে বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়েন অনেকে। আবার সকালে ঘুম থেকে উঠে সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে খবরের কাগজ পড়েন। বহু বইপ্রেমীর অভ্যাস ট্রেনে-বাসে শুয়ে-বসে বই পড়া। আর এই শুয়ে বসে বই পড়ার সময় বইয়ের থেকে চোখের দূরত্ব সবসময় সমান থাকে না। আবার সঠিক অ্যাঙ্গেল বজায় রেখেও বই পড়ার হয় এমন নয়। তবে যা কিছুই হোক না কেন, বই পড়ার অভ্যাস বাদ দেয়া যাবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়ম না মেনে বই পড়লে হতে পারে চোখের সমস্যা। আসুন জেনে নিই নিয়ম মেনে বই না পড়লে চোখের যেসব ক্ষতি হতে পারে- ১. বই সঠিক দূরত্বে রেখে না পড়লে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসার সম্ভাবনা থাকে। ২. চোখের অংশে কমে যেতে পারে রক্ত চলাচল ৩. অ্যাস্থেনোপিয়ার শিকার হতে পারেন। ৪. চোখের অশ্রুগ্রন্থির পা...

করোনা ও মৌসুমি ফ্লু নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি

Image
করোনা ও মৌসুমি ফ্লু নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি করোনা ও মৌসুমি ফ্লু নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি - ছবি: সংগৃহীত Daily Manobkantha হাসান মাহমুদ রিপন ১২ এপ্রিল ২০২০ দেশজুড়ে করোনাভীতি ছড়িয়ে পড়েছে। এরমধ্যে আবার সিজনাল ফ্লু শুরু হওয়ায় মানুষের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় সামান্য সর্দি, জ্বর বা গলা ব্যথার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতাল ও চিকিৎসকের কাছে ছুটছে মানুষ। কিন্তু সেখান থেকে প্রত্যাশিত সাড়া না পেয়ে মানুষের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। অন্যদিকে চিকিৎসক ও নাসর্রা নিজেদের নিরাপত্তাহীনতায় সঠিকভাবে সেবা দিতে পারছেন না বলে দাবি করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা জনসাধারণদের চিকিৎসকদের ওপর ভরসা রাখতে বলছেন। চিকিৎসক-নার্সদেরও বলছেন নিজেদের ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রোগীদের পাশে থাকতে। করোনা ভাইরাস আতঙ্কে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল এমনকি রাজধানীর অত্যাধুনিক অনেক হাসপাতালেরই চিকিৎসকরা জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদের চিকিৎসা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। যারা চিকিৎসাসেবা দে...

কে এই বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ?

Image
কে এই বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ? কালের কণ্ঠ অনলাইন    ১২ এপ্রিল, ২০২০ অবশেষে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের। শনিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। গত সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে আটক করেন। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে সিএমএম আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল মাজেদ চার কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তার স্ত্রী সালেহা বেগম বর্তমানে বাড়ি ১০/এ, রোড-১, ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকা ঢাকা সেনানিবাসে বসবাস করছেন। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বাটামারা গ্রামের মরহুম আলী মিয়া চৌধুরীর ছেলে ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ। ১৯৭৫ সালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যাকাণ্ডের সময় তিন...

রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ মানেই করোনামুক্ত নয়

Image
রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ মানেই করোনামুক্ত নয় পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে উপসর্গ, রোগীর ইতিহাসসহ সব বিষয়ে নজর দিতে হবে কালের কণ্ঠ অনলাইন    ১২ এপ্রিল, ২০২০ ০৯:০৩ উন্নত ও সুসংগঠিত চিকিৎসাব্যবস্থার দেশগুলো করোনভাইরাস আক্রান্তদের শনাক্তে মেডিক্যাল পরীক্ষার আওতা যথাসম্ভব বাড়িয়েছে। সংক্রমণ নিশ্চিত হলে তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এসবের পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষায় ভাইরাস না পাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। আর এ ধরনের ঘটনায় বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মায়ো ক্লিনিকের সংক্রামক রোগ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্রিয়া সম্পতকুমার বলেন, ‘পরীক্ষায় ভাইরাস ধরা পড়বে কি না, তা নানা বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল।’ এ ব্যাখ্যায় তিনি জানান, হাঁচি-কাশি বা এজাতীয় শারীরিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কতটা ভাইরাস বের করছেন, মেডিক্যাল পরীক্ষার নমুনা কিভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে, অভিজ্ঞ ব্যক্তির মাধ্যমে  যথাযথভাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে কি না, নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার জন্য আনতে রাস্তায় কতটা সময় লেগেছে, এমন অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে পরীক...

মহামারীতে হজরত ওমরের (রা.) যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত

Image
মহামারীতে হজরত ওমরের (রা.) যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত ইনকিলাব ডেস্ক | হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর আমলে সিরিয়া-প্যালেস্টাইনে দেখা দেয় মহামারী প্লেগ। খলিফা সিরিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে জানতে পারলেন, সিরিয়ায় মহামারী প্লেগ দেখা দিয়েছে। তাতে তিনি তাঁর সিরিয়া সফর স্থগিত করেছিলেন।এটি ছিল যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত। মুসলিম উম্মাহর জন্য তা ছিল অনেক বড় শিক্ষণীয়। ৬৩৯ ঈসাব্দে হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলামি খেলাফতের আমির।তিনি মদিনা থেকে ‘সারগ’ নামক অঞ্চলে পৌছলে সেনাপতি আবু উবায়দাহ রা. জানান যে, সিরিয়ায় প্লেগ তথা মহামারীর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সে সময় তিনি সফর স্থগিত করেছিলেন। করোনা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে হজরত ওমর রা. সে ঘটনায় রয়েছে উদ্দীপনা। ঘটনাটি এমন- সিরিয়া মহামারী প্লেগ-এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় হজরত ওমর প্রবীণ সাহাবাদের কাছে এ মর্মে পরামর্শ চান যে, তিনি সিরিয়া সফর করবেন নাকি মদিনায় ফিরে যাবেন? সাহাবাদের মধ্য থেকে দুটি মতামত জানানো হয়- প্রবীণ সাহাবাদের পরামর্শ : কিছু সাহাবা মতামত দিলেন যে, আপনি যে উদ্দেশ্যে বের হয়েছেন, সে উদ্দেশে...

পিরিয়ডের সময় কত দিন নামাজ-রোজা বন্ধ থাকবে?

Image
পিরিয়ডের সময় কত দিন নামাজ-রোজা বন্ধ থাকবে? কালের কণ্ঠ অনলাইন    সমাধান দিয়েছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা প্রশ্ন : ঋতুস্রাবকালীন কত দিন পর্যন্ত নামাজ-রোজা বন্ধ থাকবে? যদি কোনো কারণে ঋতুস্রাবের সময়সীমা বেড়ে যায়, তখন কী করবে? মাহিনা তাসনিম, কুষ্টিয়া। উত্তর : তিন দিন থেকে ১০ দিন পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে মাসিক ঋতুস্রাবকালীন নামাজ-রোজা বন্ধ রাখবে। কোনো কারণে ঋতুস্রাবের সময় ১০ দিনের চেয়ে বেড়ে গেলে নিজের আগের অভ্যাস অনুপাতে যে মেয়াদ রয়েছে, ওই দিন পর্যন্ত বন্ধ রেখে এর পর থেকে নামাজ-রোজা পালন করবে। আর যদি ১০ দিনের ভেতরই শেষ হয়ে যায়, তাহলে রক্ত আসার শেষ দিন পর্যন্ত ঋতুস্রাব গণ্য করে নামাজ-রোজা ইত্যাদি বন্ধ রাখবে। (আদ্দুররুল মুখতার : ১/৩০০-৩০১)

নিরপেক্ষতার পোশাক, মুছে যাচ্ছে ফ্যাশনের লৈঙ্গিক সীমারেখা

Image
ফিচারঃ নিরপেক্ষতার পোশাক মেয়েরা ছেলেদের পোশাক পরার চল শুরু করেছিল। ছেলেরা আজ সে পথেই যাচ্ছে। মানে, তারা পরতে শুরু করেছে মেয়েদের পোশাক। মুছে যাচ্ছে ফ্যাশনের লৈঙ্গিক সীমারেখা। লিখেছেন ফাহমিদা শিকদার ক্যানভাস ম্যাগাজিন এখনকার আলোচিত ট্রেন্ড জেন্ডার নিউট্রাল আউটফিট। কয়েক বছর ধরে খুব দাপটের সঙ্গে চলছে এই ধারা। এটা কিন্তু পুরুষের পোশাকের মতো দেখতে নারীর পোশাক নয়, বরং এমন পরিধেয় যা নারী-পুরুষ সবাই পরতে পারে। ধারাটি চালু করে মেয়েরাই, এখন ছেলেরাও মেয়েদের পোশাক পরে ফ্যাশনে রীতিমতো একটা বিপ্লব ঘটিয়েছে। কিন্তু এক দিনেই ট্রেন্ডটি প্রতিষ্ঠা পায়নি। এর পেছনে রয়েছে অনেক চড়াই-উতরাইয়ের ইতিহাস। আধুনিক নারীদের কাছে সব সময় সমাদৃত হয়েছে পুরুষের পোশাক। যদিও আগে মেয়েদের প্যান্ট পরা আমাদের সমাজে প্রীতিকর ছিল না। আর এখন মেয়েরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেদের পছন্দের পোশাকটি মেন’স সেকশন থেকে কিনছে। আর ছেলেরা সাহস করে পরছে স্কার্ট, গাউন। সংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ হচ্ছে জেন্ডার নিউট্রাল আউটফিট। পটভূমির এক টুকরো মধ্যযুগে নারী যোদ্ধারা পুরুষের পোশাক পরেই লড়াই করত। স্ক্যান্ডিনেভ...

দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, বিপদ-মুসিবত দূর করতে

Image
দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, বিপদ-মুসিবত দূর করতে আমাদের সময়   ইসমাঈল আযহার : [১] দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, বিপদ-মুসিবত দূর করতে দোয়া-ইস্তেগফার ও আল্লাহর নিকট নিজেকে সম্পূর্ণ সপে দেয়া [২] পার্থিব জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ও স্বাভাবিক ব্যাপার হচ্ছে দুঃখ, দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানী। কারণ, দুনিয়া কষ্ট, মুসিবত ও সঙ্কটপূর্ণ স্থান। দুনিয়া এবং জান্নাতের মধ্যে পার্থক্য এখানেই। জান্নাতে নেই কোন দুঃখ, দুশ্চিন্তা ও বিষণ্নতা। [৩] আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সেখানে তাদেরকে ক্লান্তি স্পর্শ করবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃতও হবে না।’ ( সূরা হিজর : ৪৮)    [৪] জান্নাতবাসীদের অন্তর কখনো কলুষিত হবে না এবং কষ্টদায়ক কোন শব্দ তাদের কানে পৌঁছবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন বেহুদা কথা, এবং না পাপের কথা; শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘শান্তি, শান্তি।’ ( সূরা ওয়াকেয়া : ২৫-২৬)   [৫] পক্ষান্তরে দুনিয়াবী জীবনের প্রকৃতি হচ্ছে, দুর্ভোগ, যন্ত্রণা ও অসচ্ছলতা। কী গরীব, কী ধনী; কী মুসলিম, কী অমুসলিম; সবাই এর ভুক্তভোগী। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘ন...

নিঃসন্তান দম্পতি জীবনের ভয়াল অধ্যায় থেকে বেরিয়ে জীবনকে রাঙিয়ে নিতে পারে রংধনুর সাত রঙে

Image
নিঃসন্তান দম্পতি জীবনের ভয়াল অধ্যায় থেকে বেরিয়ে জীবনকে রাঙিয়ে নিতে পারে রংধনুর সাত রঙে।   ফারজানা ফেরদৌসি Magazine: Anannya প্রযুক্তির ঘনঘটায় নিঃসন্তান দম্পতি নির্দ্বিধায় টেস্টটিউব বেবি জন্মদানের মাধ্যমে জীবনের পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম। সমাজের কুসংস্কারাচ্ছন্ন মনোভাবের অভিশাপের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারে। নিঃসন্তান দম্পতি জীবনের ভয়াল অধ্যায় থেকে বেরিয়ে টেস্টটিউব বেবি ধারণের মাধ্যমে সাদাকালো এই জীবনকে রাঙিয়ে নিতে পারে রংধনুর সাত রঙে। না পাওয়ার গ্লানি পিছনে ফেলে টেস্টটিউব বেবি জীবনকে পূর্ণতায় পরিপূর্ণ করে।  নিঃসন্তান দম্পতির বিবাহিত জীবনের পূর্ণতাই যেন সন্তান জন্মদান করা। তাই প্রতিটি দম্পতি তাদের জীবনের পূর্ণতা চায়। কিন্তু অনেক সময় শারীরিক নানাপ্রতিবন্ধকতার কারণে এই পূর্ণতা সম্ভব হয় না। আর তা থেকেই শুরু হয় পারিবারিক কলহ। যা এক পর্যায় ডিভোর্সে রূপ লাভ করে। যা বর্তমানে অনেকাংশই বেড়েই চলেছে। আর এর অধিকাংশ ভুক্তভোগী হচ্ছেন মেয়েরা। সকল মেয়েই চায় মাতৃত্বের স্বাদে নিজেকে পরিপূর্ণ করতে। জীবনকে পরিপূর্ণভাবে উপভ...