বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ মানেই করোনামুক্ত নয়

রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ মানেই করোনামুক্ত নয়

পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে উপসর্গ, রোগীর ইতিহাসসহ সব বিষয়ে নজর দিতে হবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ এপ্রিল, ২০২০ ০৯:০৩

রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ মানেই করোনামুক্ত নয়


উন্নত ও সুসংগঠিত চিকিৎসাব্যবস্থার দেশগুলো করোনভাইরাস আক্রান্তদের শনাক্তে মেডিক্যাল পরীক্ষার আওতা যথাসম্ভব বাড়িয়েছে। সংক্রমণ নিশ্চিত হলে তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এসবের পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষায় ভাইরাস না পাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। আর এ ধরনের ঘটনায় বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি।

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মায়ো ক্লিনিকের সংক্রামক রোগ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্রিয়া সম্পতকুমার বলেন, ‘পরীক্ষায় ভাইরাস ধরা পড়বে কি না, তা নানা বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল।’ এ ব্যাখ্যায় তিনি জানান, হাঁচি-কাশি বা এজাতীয় শারীরিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কতটা ভাইরাস বের করছেন, মেডিক্যাল পরীক্ষার নমুনা কিভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে, অভিজ্ঞ ব্যক্তির মাধ্যমে  যথাযথভাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে কি না, নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার জন্য আনতে রাস্তায় কতটা সময় লেগেছে, এমন অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে পরীক্ষার ফলাফল।

বাল্টিমোরের জনস হপকিন্স হসপিটালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ড্যানিয়েল ব্রেনার জানান, এক ব্যক্তির মধ্যে কভিড-১৯ রোগের সব উপসর্গ ছিল, অথচ তার নমুনা তিনবার পরীক্ষা করার পরও নেগেটিভ ফল পাওয়া যায়। এরপর তার শ্বাসনালির মধ্য দিয়ে ক্যামেরা ঢুকিয়ে ফুসফুস পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং বিশেষ ব্যবস্থায় সেখান থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার পর ভাইরাসের উপস্থিতির ব্যাপারে পজিটিভ ফল পাওয়া যায়। এ রোগীর পরীক্ষার ফল নেগেটিভ পাওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হলে তার মাধ্যমে আরো বহু লোক আক্রান্ত হতে পারত। তাই শুধু প্রাথমিক মেডিক্যাল পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে উপসর্গ, রোগীর ইতিহাসসহ সব বিষয়ে নজর দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সূত্র : এএফপি।

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা