বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

নখ দ্রুত বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়

নখ দ্রুত বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়

রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে নখ শক্ত ও বড় রাখার পন্থা সম্পর্কে জানানো হল। 

লেবুর রস
লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যা নখ ও চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। নখে নিয়মিত লেবুর রস ব্যবহারে নখের হলদে দাগ দূর হয়। কারণ এতে আছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান।

করণীয়: প্রতিদিন এক টুকরা লেবু আঙ্গুল ও নখের চারপাশে ঘষতে হবে। পাঁচ মিনিট পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
নখ ভেঙে যাওয়ার সমস্যা থাকলে তাতে নিয়মিত লেবুর রস ব্যবহার করুন। এতে নখের সংবেদনশীলতার সমস্যা দূর হবে।

নারিকেল তেল
ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা নখ ও চুল আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে। নারিকেল তেল হালকা। যা সহজে ত্বকে শোষিত হয়। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে ফাঙ্গাস ও ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

করণীয়: প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটা বাটিতে খাঁটি নারিকেল তেল নিয়ে গরম করে নিন। এরপর তা নখ ও আঙ্গুলে গোলাকারভাবে মালিশ করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে ও নখের বৃদ্ধি দ্রুত হবে। তাছাড়া কিউটিকলের কোনো রকম সমস্যা থেকে থাকলে নিয়িমিত নারিকেল তেল ব্যবহার করে তা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।  

কমলার রস
কমলা, লেবুর মতোই ভিটামিন সি ও ফলিক অ্যাসিডের ভালো উৎস যা কোষকলা উৎপাদনে সহায়তা করে। নখের বৃদ্ধিতে কোষকলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কমলার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।


করণীয়: দিনে একবার একটা বাটিতে কমলার রস নিয়ে তাতে ১০ মিনিট নখ ডূবিয়ে রাখুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

নখ ডোবানোর আগে তা এক্সফলিয়েট করে নিন। এতে ত্বক মসৃণ হয় এবং ‘কিউটিকল’ দূর করা সহজ হয়।

জলপাইয়ের তেল
যদি নখ ভাঙা বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে জলপাইয়ের তেল ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়। এই তেল সহজেই ত্বকে শোষিত হয় এবং ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে শুষ্কতা দূর করে। ফলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং নখ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

করণীয়: দিনে একবার খাঁটি জলপাইয়ের তেল একটা পাত্রে গরম করে কিউটিকলের ওপর পাঁচ মিনিট ধরে মালিশ করুন। এরপর সারা রাত হাত মোজা পরে ঘুমান। সকালে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

সারা রাত জলপাইয়ের তেল রাখতে না চাইলে কুসুম গরম তেলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট নখ ডুবিয়ে রাখুন। নখ উজ্জ্বল ও চকচকে হবে।

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা