বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার শিশু করোনায় আক্রান্ত

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার শিশু করোনায় আক্রান্ত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ মার্চ, ২০২০ ১৭:৪৮

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার শিশু করোনায় আক্রান্ত


মারাত্মক ছোঁয়াছে রোগ করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। ব্রিটেন জানিয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের স্কুলগুলো বন্ধ থাকবে। শিশুদের যাতে করোনা ঝুঁকির থেকে মুক্ত রাখা যায় সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চীনে শিশুদের মাঝে সংক্রমণের হার কম থাকলেও ইউরোপে শিশুদের আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। অনেক বাবা-মায়েরা তাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। শিশুদের ক্ষেত্রে করোনার লক্ষণগুলি কি প্রাপ্তবয়স্কদের মতো? না-কি আলাদা হবে সেটা নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন।

শিশুদের করোনাভাইরাসের লক্ষণ

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের (সিডিসি) মতে,বাচ্চাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের লক্ষণগুলি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যেসব লক্ষণ দেখা যায় সেই একইরকম। ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের মাঝে এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হালকা লক্ষণ সমুহ দেখা যাচ্ছে।

তবে সিডিসির ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে যে, এই রোগ সম্পর্কে আমরা এখনও পুরোপুরি জানি না। আমাদের এখনও অনেক কিছু শিখতে হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রকৃত লক্ষণগুলি কী সেটা এখনও জানা যায়নি। সূতরাং, ঝুঁকি না নিয়ে শিশুদের সাবধানে রাখতে হবে। কোন ভাবেই যেন তাদের করোনায় আক্রান্ত না করতে পারে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। কারণ শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় এটা তাদের জীবনের জন্য গুরুতর ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে।

ওয়েবসাইটটিতে বলা হয়েছে,'নিশ্চিত কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের মাঝে সাধারণত হালকা লক্ষণগুলি দেখা যায়।
এরমধ্যে রয়েছে- জ্বর, সর্দি,শুষ্ক কাশি ইত্যাদির মতো ঠান্ডা জাতীয় লক্ষণ। কিছু কিছু শিশুর ক্ষেত্রে বমি ও ডায়রিয়ারও খবর পাওয়া গেছে। কিছু শিশু গুরুতর অসুস্থতার জন্য উচ্চ ঝুঁকিতে থাকতে পারে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। সুতরাং, শিশুদের বিশেষ পরিচর্যা ও তারা যাতে কোনভাবেই জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাকতে হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণে শিশুদের মাঝে কী কী পরিবর্তন হয় সেটা এখনও পুরোপুরি জানা সম্ভব হয়নি। আমাদের এ সম্পর্কে আরও অনেক কিছু শিখতে হবে।

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা