বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

কর্মক্ষেত্রে গুজবের শিকার হওয়ার আগে নিজেই সাবধান থাকা ভালো


কর্মক্ষেত্রে গালগল্পের পাত্র হওয়া থেকে বাঁচতে

‘কথার কোনো ডানা নেই। তবে তা উড়ে যেতে পারে সহস্র মাইল’- কোরিয়ার একটি প্রচলিত প্রবাদ বাক্যের বাংলাটা এমনই। আর নেতিবাচক গল্পের গতি নাকি বাতাসের চেয়েও দ্রুততর। যেখানেই আছে মানুষের সমাগম. সেখানেই হবে ‘গসিপ’। আর ‘গসিপ’য়ের বেশিরভাগই হয় নেতিবাচক যা ছড়িয়ে যায় দাবানলের মতো।

গল্পের বিষয়বস্তু ইতিবাচক, নেতিবাচক, সত্য বা গুজব যাই হোক না কেনো, যাকে নিয়ে তা হচ্ছে তার জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যাপারটা হয় ধ্বংসাত্বক।

এই ধ্বংসাত্বক ঘটনার ভুক্তভোগী হওয়ার হাত থেকে বাঁচার উপায় জানানো হল জীবনযাপন-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনের আলোকে।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা: সহকর্মী বন্ধু হলেও তার সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনার আগের ভাবা উচিত তা কতটা নিরাপদ। কর্মক্ষেত্রে বন্ধু থাকা নিঃসন্দেহে ভালো দিক। তবে সেখানে পেশাদারী দূরত্বও বজায় থাকা জরুরি। কারণ, আজকের সহকর্মী বন্ধু। হয়ত কাল আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে যেতে পারে। আর তখন আপনার ব্যক্তিগত জীবনের দুর্বলতার সুযোগ যে সে নেবে না তার নিশ্চয়তা দেওয়ার সাধ্য কারও নেই।

নিন্দুকদের এড়িয়ে চলা: আজ যে আপনার সঙ্গে অন্যকে নিয়ে গল্প করছে কাল সে আপনাকে নিয়ে অন্য কারও সঙ্গেও গল্প করতে পারে। শুরুতে ব্যাপারটাকে নিছক কৌতুক মনে হতে পারে। তবে একবার জড়িয়ে গেলে তা থেকে বেরিয়ে আসাও কঠিন। তাই যে মানুষগুলো অন্যের বিভিন্ন তথ্য আপনার সঙ্গে ভাগাভাগি করছে তাদের কাছ থেকে দূরে থাকাই নিরাপদ। অন্যথায় একদিন আপনিও গল্পের বিষয়বস্তু হয়ে উঠবেন।

গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকা: অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে জানতে চাওয়া এবং তা নিয়ে কৌতুক করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যকে তা করা থেকে অনুৎসাহিত করতে পারলে আরও ভালো। কর্মক্ষেত্রে এমন আলোচনা হতে দেখলে বাধা দিতে না পারলে নিজেই ভদ্রভাবে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে। এতে হয়ত কর্মক্ষেত্রে আপনার বন্ধুর সংখ্যা কমবে তবে ব্যক্তিত্ব ও পেশাদারিত্ব মানুষের প্রসংশা কুড়াবেন। পাশাপাশি একটি গুজব ছড়ানো বন্ধে আপনারও ভূমিকা থাকবে।

মানবসম্পদ বিভাগের সাহায্য নেওয়া: কর্মক্ষেত্রে পরচর্চা যদি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌছায় তবে ‘এইচআর’ বা মানবসম্পদ বিভাগের হস্তক্ষেপ চাইতে পারেন। তাদের জানাতে হবে সমস্যার প্রকৃতি এবং তার সম্ভাব্য ধ্বংসাত্বক ফলাফল সম্পর্কে। তারা হয়ত সমাধান করতে পারবে না। তবে আপনাকে বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে বাঁচার পথ বাতলে দিতে পারবে।

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা