বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

গাজীপুরে করোনাভাইরাস শনাক্ত !

গাজীপুরের কোয়ারেন্টিনে রাখা একজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত

 
 
প্রতিনিধি, গাজীপুর

আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২০, ১৩:৩৫
ছবি: রয়টার্সছবি: রয়টার্স

গাজীপুরের কোয়ারেন্টিন থেকে ঢাকার উত্তরায় কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে আটজনকে পাঠানো হয়। তাঁদের সবার শরীরে জ্বর ছিল। তাঁদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) এস এম তরিকুল ইসলাম ও গাজীপুরের সিভিল সার্জন মো. খায়রুজ্জামান ইতালিফেরত একজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) গতকাল মঙ্গলবার জানায়, দেশে মোট ১০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর গাজীপুরে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়ে এই সংখ্যা ১১ জন হলো।


গাজীপুরের ডিসি বলেন, গাজীপুরে কোয়ারেন্টিনে থাকা সবাই ইতালিফেরত ছিলেন। গত রবি ও সোমবার দুই দফায় আটজনকে কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁদের মধ্যে একজনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। এস এম তরিকুল ইসলাম আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য জেলার নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

গাজীপুরের সিভিল সার্জন মো. খায়রুজ্জামান বলেন, গাজীপুরের পুবাইলের মেঘডুবি ২০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, একজন মেডিকেল অফিসার, দুজন সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট মেডিকেল অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে এখানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪০ জন।

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা