বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

অফিস ও কর্মীদের যেভাবে করোনামুক্ত রাখবেন

অফিস ও কর্মীদের যেভাবে করোনামুক্ত রাখবেন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   


অফিস ও কর্মীদের যেভাবে করোনামুক্ত রাখবেন


মারাত্মক ছোঁয়াচে কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। করোনার সংক্রমণে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিতে বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ। মারাত্মক এই ছোঁয়াচে রোগের বিস্তার রোধে সহজ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রগুলি। এই সচেতনতাগুলো অবলম্বন করা হলে সহজেই করোনার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এর মধ্যে রয়েছে হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় মুখ ঢেকে দেওয়া, সাধারণভাবে ব্যবহৃত জিনিসপত্রগুলো জীবাণুমুক্ত করা এবং আপনার হাত ভাল করে ধুয়ে বা স্যানিটাইজ করা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কিভাবে আপনার অফিস অথবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ রাখবেন। কিভাবে কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করবেন সেটা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নক্স নিউজ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। পাঠকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সেগুলো তুলে ধরা হল-


১) অসুস্থ হলে বাড়িতে থাকুন

অসুস্থ কর্মীকে বাড়িতে থাকার জন্য উৎসাহিত করুন। আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মাঝে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রগুলির দেওয়া সর্বশেষ আপডেট এবং গাইডেন্স সম্পর্কে অবহিত করুন।

কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব এবং অন্য কোন সম্ভাব্য জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় নিয়োগকর্তাদের বিদ্যমান নীতিগুলি পর্যালোচনা করা উচিত। সংকটকালীন সময়ে কিভাবে অফিস মেনটেইন্স করতে হবে তার  পরিকল্পনা করা উচিত। কর্মীদের অসুস্থতাজনিত ছুটির নীতিগুলিতে আরও নমনীয় হওয়া এই মুহুর্তে খুবই জরুরি।

অসুস্থ কর্মচারীদের ছুটির ক্ষেত্রে শিথিলতা দেখানো হলে সেটা আপনার প্রতিষ্ঠানে সংক্রমণ রোধে সহায়ক হবে। অন্য কর্মীদের মাঝে ভাইরাসটি ছড়াতে পারবে না। ফলে আপনার প্রতিষ্ঠানই লাভবান হবে।


২) স্বাস্থ্যকর শিষ্ঠাচার অনুশীলন করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের সকল সদস্যদের স্বাস্থ্যকর শিষ্টাচার অনুশীলনের পদক্ষেপ নিন। বিশেষত কাশি এবং হাঁচি দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা যেন মুখ ঢেকে দেয় সে বিষয়ে সচেতন করুন। ভাইরাস ছড়ানো রোধের ক্ষেত্রে এটা অনেক বেশি সহায়ক।

সকলের জন্য হ্যান্ড ওয়াশিংয়ের ব্যবস্থা করা জরুরি। করোনাভাইরাস ছড়ানোর অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা গেছে হাতের মাধ্যমেই ছড়িয়েছে। হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে, সাবান এবং উষ্ণ পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ডের জন্য ভালোভাবে কচলে হাত ধোয়া। বার বার এভাবে হাত ধুতে হবে, বিশেষত আপনি যখন সর্বজনীন কোন স্থান থেকে ফিরবেন,নাক ফুঁকানোর পরে, কাশি বা হাঁচি দেওয়ার পরে হাত ধুতে হবে। এটা আপনার ও আপনার আশেপাশের লোকদের সুরক্ষায় সহায়তা করতে পারে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাত ধোয়ার স্থানে রাখা উচিত। এমন একটি স্থানে স্যানিটাইজার রাখুন যাতে সাবান এবং পানি সহজেই পাওয়া যায়। জীবাণুমুক্ত থাকতে কমপক্ষে ৬০ শতাংশ অ্যালকোহল থাকে এমন হ্যান্ড স্যানিটাইজার নির্বাচন করুণ। এটা কর্মীদের সুরক্ষা দেবে।


৩) বার বার পরিষ্কার করতে হবে

অফিসের যেসব জায়গায় মানুষের চলাচাল বেশি সেসব জায়গা বারবার পরিষ্কার করতে হবে। আপনার অফিস স্পেসের যেসব জায়গায় প্রায়শই স্পর্শ করা হয়, যেমন- ডোরনবস, কাউন্টারটপস, ওয়ার্কস্টেশন এবং কীবোর্ডগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় এগুলো আরও ঘন ঘন পরিষ্কার করা এবং স্যানিটাইজ করা গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত হ্যান্ডওয়াশিং এবং অন্যান্য কৌশলে উৎসাহিত করার জন্য ঘন ঘন আফিস পরিদর্শন করা এবং কর্মীদের সঙ্গে ইমেল যোগাযোগ স্থাপনের কথা বিবেচনা করতে পারেন। রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রগুলির দেওয়া বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুরক্ষা তথ্য প্রিন্ট করে আফিসের বিভিন্ন স্থানে সাঁটাতে পারেন।


৪) ভ্রমণ ঝুঁকি এড়ানোর চেষ্টা করুন

যদি কোন জরুরি প্রয়োজনে আপনার কর্মীদের ভ্রমণ করার প্রয়োজন হয় তবে এটির জন্য সহজ পরিকল্পনা করুণ। সম্ভব হলে এসময়ে কর্মীদের ভ্রমণে পাঠানো থেকে বিরত রাখুন। এতে আপনার কর্মী ও অফিস উভয়ে নিরাপদ থাকবে। হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিস সহ অনন্য স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন এমন কর্মীদের বাড়তি ঝুঁকির কারণগুলিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত। তবে, জাতি বা জাতীয়তার উপর নির্ভর করে ঝুঁকি নির্ধারণ না করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক ভ্রমণে অসুস্থ কর্মচারীদের বিদেশে চিকিৎসা সেবা এবং সহায়তা পাওয়ার জন্য কোম্পানির নীতি অনুসরণ করা উচিত।


Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা