বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

বাইরে বেরোচ্ছেন? এই দশটি টিপস মনে রাখলে কমবে ঝুঁকি

বাইরে বেরোচ্ছেন? এই দশটি টিপস মনে রাখলে কমবে ঝুঁকি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   


বাইরে বেরোচ্ছেন? এই দশটি টিপস মনে রাখলে কমবে ঝুঁকি


কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় দুই লাখ মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার। আশ্চর্য ক্ষমতাধর এই ভাইরাসের হাত থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করা যায় সেটা নিয়ে চিন্তিত সবাই। এখনও আবিষ্কৃত হয়নি কোনো কার্যকরী ভ্যাকসিন বা টিকা। এই ভাইরাস ঠেকাতে অনেক দেশে স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হচ্ছে। তবে এর পরও দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে আমাদের বাইরে বেরুতে হয়, নানা মানুষের সঙ্গে মিশতে হয়, হাটে-বাজারে যেতে হয়। ফলে করোনায় আক্রান্তের ঝুঁকি থেকেই যায়। এমন পেক্ষাপটে নিজের এবং অন্যের কাছে থেকে আপনার সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে এখনই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

সামাজিক দূরত্ব, বারবার হাত ধোয়া এবং N95 মেডিক্যাল ফেস মাস্ক ব্যবহার করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে  অনুরোধ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কোভিড-১৯ নামে পরিচিত এই করোনভাইরাসটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। তবে আপনি কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে এই ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে পারবেন।

১) আঙুলের বদলে হাঁটু, পা, কনুই ব্যবহার করুন

লিফটের বাটন হাতের আঙুল দিয় চাপ দিবেন না। করোনা সংক্রমণ এড়াতে লিফট, ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং অনন্য যেসব জায়গায় হাতের আঙুলের ব্যবহার করা প্রয়োজন হয় সেগুলো এই সময়ে এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে কনুই, হাঁটু, পা ইত্যাদি ব্যবহার করুন। সেক্ষে আপনার হাতের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারবে না।
আপনাকে কোনও দরজা খুলতে হবে, একটি বোতাম টিপতে হবে, কোনও লিভার টানতে হবে বা কোনও কিছুর জন্য ডিজিটালি সাইন করতে হবে সেক্ষেত্রে আঙুলের বদলে দেহের একটি পৃথক অংশ ব্যবহার করুন।
উদাহরণস্বরূপ, কম্পিউটার, কিংবা আইপ্যাডের বোতাম চাপতে আঙুলের প্যাডের গিট দিয়ে পিন কোডটি ট্যাপ করুন। হাতের পরিবর্তে কাঁধ, নিতম্ব বা পা দিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করুন।

২) অটোমেটিক অপশনে জোর দিন

বেশিরভাগ আধুনিক বিল্ডিংয়ে প্রবেশে দরজা খোলার জন্য অ্যাক্সেসিবিলিটি বোতাম রয়েছে। আপনি এটিকে সহজেই আপনার বাহু, নিতম্ব বা পা দিয়ে স্পর্শ করতে পারেন। বাড়ির জন্য একটি স্বয়ংক্রিয় সাবান বিতরণকারী যন্ত্র কিনে ফেলুন। তাহলে আপনার আশপাশের জীবাণু ছড়িয়ে পড়া কমবে।

৩) ফোন কোথাও রাখতে গেলে সাবধানতা অবলম্বন করুন

ফোনের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে জীবাণু্। এ জন্য ফোনটি যাতে ভাইরাসের সংস্পর্শে না আসে সে ব্যবস্থা নিতে হবে। বাথরুমে ফোন নিয়ে যাওয়া যাবে না। বাথরুমে গেলে ফোনটি কোটের পকেট বা পার্সে রেখে যেতে পারেন। আপনার ফোনটি যত নিরাপদ রাখবেন আপনার সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা তত কমবে। যখন ফোনটি কোথাও রাখবেন, ততখন একটা ন্যাপকিন দিয়ে জায়গাটা মুছে ফেলবেন, তারপর রাখবেন। এটি আপনাকে ফোনের জীবাণু থেকে রক্ষা করবে।

৪) বাজারে গেলে নিজের শপিং ব্যাগ নিয়ে যাবেন

আপনি যদি নিজের শপিং ব্যাগ নিয়ে বাজারে যাওয়ার অভ্যাস না থাকে তাহলে এটা শুরু করুন। এটি করা হলে মুদি মালামাল ক্রয়ের সময় করোনা ঝুঁকি থেকে আপনি অনেকাংশেই মুক্ত থাকবেন। নিজের বাসা থেকে ব্যাগটি নিয়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে আপনি আন্যের ছোঁয়া কিছু বহন করছেন না। ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।

৫) খালি হাতে পণ্য সাজাবেন না বা ধরবেন না

হাতে গ্লাভস ব্যবহার করে বাজারে বিভিন্ন ফলমূল, শাকসবজি, পেঁয়াজ-রসুন এসব বাছাই করুণ। খালি হাতে এগুলো করতে যাবেন না। আপনি কোনও দোকান থেকে পণ্য আনার পর কাপড়ের ব্যাগগুলো স্যানিটাইজ দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন যাতে ভবিষ্যতে এটা আবার ব্যবহার করতে পারেন। ভ্রমণের জন্য আরও ছোট প্লাস্টিকের বা বায়োডেগ্র্যাডেবল ব্যাগ রাখতে পারেন। আপনি বাড়িতে পৌঁছানোর সময় আপনার হাতগুলি ধুয়ে ফেলুন, পাশাপাশি আপনি যে কোনও পণ্য ব্যবহার করেন সেগুলোও ধুয়ে ফেলুন।

৬) মানুষকে দূর থেকে শুভেচ্ছা জানান

করোনার সংক্রমণ এড়াতে অন্যের সঙ্গে হাত মিলানো বা কোলাকুলি করা থেকে বিরত থাকুন। এটা ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম মাধ্যম। এরই মধ্যে বিশ্বেরর কয়েক কোটি মানুষ হাত মিলানো থেকে বিরত থাকছে। আপনিও দূর থেকে শুভেচ্ছা জানানোর চর্চা করুন।

৭) বাইরে থেকে বাসায় ফিরলেই হাত ধুযে ফেলুন

প্রয়োজনে যতবারই বাড়ির বাইরে যাবেন, ফেরার সঙ্গে সঙ্গে সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে ফেলবেন। কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। সংক্রমণ এড়াতে এটা সবচেয়ে কার্যকরি উপায়।

৮) সঙ্গে অতিরিক্ত ন্যাপকিন ও ফেসিয়াল টিস্যু রাখতে হবে

বাইরে গেলে সঙ্গে অতিরিক্ত ন্যাপকিন, টিস্য নিয়ে বের হবেন। যাতে পথে কোথায় হাঁচি-কাশি দিলে সেটা মুখ ঢেকে দিতে পারেন। তাহলে আপনিও যেমন ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকবেন, আপনার থেকে অন্যদের মাঝে সংক্রমণের ঝুঁকিও কমবে।

৯) হাতে নগদ টাকা নেবেন না

কাগজের নোট সবসময় নোংরা ও জীবাণুযুক্ত থাকে। বিভিন্নজনের হাতের সংস্পর্শে থাকার কারণে এটা সহজেই ভাইরাসের অন্যতম বাহক হয়ে ওঠে। এই সময়ে যথা সম্ভব কাগজের নোটে নগদ লেনদেন করা থেকে বিরত থাকুন। স্মার্টকার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ই-লেনদেন ইত্যাদির মাধ্যম ব্যবহার করে কেনাকাটা করুন। তাহলে আপনার মাঝে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।

১০) জীবাণু থাকতে পারে এমন সন্দেহজনক জিনিস ৯ দিন ছোঁবেন না

নোভেল করোনাভাইরাস কোন পৃষ্টদেশে ৯ দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। এই জন্য আপনার ব্যবহৃত কোন বস্তুতে জীবাণু থাকতে পারে এমন সন্দেহ হলে ৯ দিনের জন্য সেটা দূরে ছুড়ে ফেলুন। আমরা জানি সাবান এবং ভালো স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করলে জীবাণু মরে যায়। তবে এই সময়ে ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। নোংরা জুতা, জ্যাকেট, মোজাগুলো কমপক্ষে ৯ দিন ব্যবহার করবেন না। 

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা