বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

এপ্রিলের শুরুতে দেশের করোনা পরিস্থিতি হতে পারে ভয়াবহ

মেয়র সাঈদ খোকনের আশঙ্কা

এপ্রিলের শুরুতে দেশের করোনা পরিস্থিতি হতে পারে ভয়াবহ

নিজস্ব প্রতিবেদক   
২২ মার্চ, ২০২০

Kalerkantha

এপ্রিলের শুরুতে দেশের করোনা পরিস্থিতি হতে পারে ভয়াবহ


ঢাকা দক্ষিণের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এপ্রিল মাসের শুরু থেকে দেশের করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারন করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সাথে সার্বিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার পর তিনি এমনটাই মনে করছেন।

আজ রবিবার দুপুরে নগর ভবনস্থ ব্যাংক ফ্লোর সভাকক্ষে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় করোনাভাইরাস প্রতিরোধ এবং মোকাবেলার লক্ষ্যে গঠিত কমিটির জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাঈদ খোকন বলেন, প্রবাসীরা অবাধে বিচরণ করার মাধ্যমে করোনা ছড়িয়ে দিয়ে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটার দৃশ্যপট তৈরি হয়েছে। প্রবাসীদের দেশে এসে অবাধ বিচরণের সুযোগ দেওয়া ছিল মারাত্মক ভুল। এ প্রসঙ্গে তিনি সিটি কর্পোরেশন এলাকার করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও মোকাবেলার লক্ষ্যে গঠিত কমিটি রিভিউ করে শক্তিশালী কমিটি গঠন করা দরকার বলে মত দেন তিনি।

মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ ও এদের মাধ্যমে এটি যেন আরো ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য আক্রান্তদের নজরদারিতে রেখে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। একই সাথে হাসপাতালগুলিতে আগত সাধারণ রোগীরা যেন চিকিৎসাসেবা পান এবং করোনা আক্রান্ত রোগীদের ছোঁয়ায় অন্যরা যেন আক্রান্ত না হন সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালকদের সাথে বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রতিনিধিদের এখনই বসা উচিত বলেও তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

আজকের সভায় কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো. ইমদাদুল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে‌ডিয়ার জেনারেল শ‌রীফ আহমেদ, ঢাকার উপ সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধি, সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণ এবং কর্পোরেশনের বিভিন্ন অন্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা