বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

দিল্লিতে পরিকল্পিত গণহত্যা হয়েছে: মমতা


দিল্লিতে পরিকল্পিত গণহত্যা হয়েছে: মমতা

 

প্রতিনিধি, কলকাতা
 
কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে সমাবেশে বক্তব্য দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: ভাস্কর মুখার্জি 




কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে সমাবেশে বক্তব্য দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: ভাস্কর মুখার্জিপশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি এবার গুজরাট মডেল প্রয়োগ করেছে দিল্লিতে। গণহত্যা করেছে দিল্লিতে।

মমতা বলেছেন, ‘সিএএ (সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন) নিয়ে দিল্লিতে যা ঘটেছে, তা পূর্বপরিকল্পিত। পরে এই ঘটনাকে দাঙ্গার রূপ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।’

আজ সোমবার সকালে কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে দলীয় সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রী ও পৌরসভার চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরদের এক সভায় এ কথা বলেছেন। মমতা আজ পশ্চিবঙ্গের আসন্ন পৌর নির্বাচনে দলের কী কী কমসূচি হবে বা রণকৌশল হবে, তারই দিকনির্দেশনা দিতে আজ এই সভার ডাক দেন।

মমতা বলেন, ‘এখনো দিল্লিতে মিলছে মানুষের মৃতদেহ। গতকালও চারটি মৃতদেহ মিলেছে। প্রতিদিন নালা খুলছে আর বের হচ্ছে মৃতদেহ। দিল্লি থেকে আজ বহু মানুষ প্রাণের ভয়ে পালিয়ে গেছে। এবার দিল্লির মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমরা তাদের পাশে আছি। আমাদের দরজা খোলা। আমরা বিজেপির মতো হিংসা শেখাই না। এই বাংলার মানুষ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বুক পেতে রক্ত দেবে। এটা দিল্লি নয়; এটা বাংলা। তাই দিল্লির স্বৈরাচারী সরকারের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। কারণ, এই বাংলাই গোটা দেশকে পথ দেখায়।’
মমতা বলেন, কেন এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের গ্রেপ্তার করা হলো না? যাঁরা প্রকাশ্যে ‘গুলি মারো’ স্লোগান দিয়েছে দিল্লিতে। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি কেন?
গতকাল রোববার গতকাল কলকাতায় বিজেপির একদল নেতা সমর্থকেরা শহীদ মিনার ময়দানে অমিত শাহর জনসভায় ‘গুলি মারো’ স্লোগান দেয়। আজ মমতা সেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটা চরম অপরাধ। তাদের গেপ্তার করবে এই বাংলা। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের গ্রেপ্তার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গতকাল রাতেই পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অচিরেই আরও দোষীদের গ্রেপ্তার করা হবে।
মমতা বলেন, ওই মিছিলের ছবি দেখে যদি কেউ চিহ্নিত করতে পারেন, তাঁদের নাম পুলিশকে জানান। মমতা বলেন, ওদের ভাষাটা অন্যায় ও দানবিক। তাই তিনি জানান এই এই স্বৈরাচারী সরকারের বিদায় হয়ে যাক। ওই সরকারের ঔদ্ধত্য এবং অহংকার ভালো নয়। তার পুরস্কার পাবে তারা।
মমতা বলেন, দিল্লি হলো একটা পৌরসভার মতো। অতটুকু জায়গা নিয়ন্ত্রণ করতে যারা পারে না, তারা আবার কীভাবে বাংলাকে চায়?
আজ মমতা দিল্লির এই স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
আজকের অনুষ্ঠানে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘দিল্লির ঘটনার পর এখনো চুপ করে বসে আছেন অমিত শাহ। কলকাতায় এসে বড় বড় কথা বলছেন। গুলি–বন্দুক আমরা চাই না, গুলি–বন্দুকের কথা আমরা বলি না। তাই আমাদের দাবি অমিত শাহ ইস্তফা দিন।’




নেতাজি ইনডোরে তৃণমূলের সমাবেশে অংশ নেওয়া দলীয় নেতা–কর্মীরা। ছবি: ভাস্কর মুখার্জি 

নেতাজি ইনডোরে তৃণমূলের সমাবেশে অংশ নেওয়া দলীয় নেতা–কর্মীরা। ছবি: ভাস্কর মুখার্জিফিরহাদ হাকিম বলেন, এই বাংলায় গুলি–বন্দুক নিয়ে স্লোগানের কোনো স্থান নেই। এই বাংলা সর্বধর্মের মানুষের। এক অসাম্প্রদায়িক বাংলা। এখানে ধর্মীয় বিভাজন নেই। সবাই একসঙ্গে, ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে লালন করছেন। তাই বিজেপির বিভাজনের রাজনীতি এখানে চলে না। চলতে দেওয়া হবে না।
এদিকে আজ নেতাজি ইনডোরের সভা থেকে তৃণমূল নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আসন্ন পশ্চিমবঙ্গের পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে। নতুন কর্মসূচির নাম ‘বাংলার গর্ব মমতা’। এই কর্মসূচিকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ ২ মার্চ থেকে ৭৫ দিনের এক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর আগে তৃণমূল ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা