বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

করোনাভাইরাসঃ হাঁচি-কাশির নিয়ম মানা জরুরি

করোনাভাইরাসঃ হাঁচি-কাশির নিয়ম মানা জরুরি


খায়রুল ইসলাম

আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২০





খায়রুল ইসলামখায়রুল ইসলাম
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে হাত ধোয়া ও হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে, আপনজন ও সমাজের অন্যদের নিরাপদ রাখার স্বার্থেই এটি করতে হবে। বিষয়গুলো কিন্তু নতুন করে বলা হচ্ছে না। এর আগে যখন সার্স ও সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছিল, তখনো এসব বলা হয়েছে। মানুষকে ইতিবাচক বার্তা দিয়ে উদ্দীপ্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কোনো কারণে বাংলাদেশে এমন বার্তায় কাজ হয় না। ভয়ের সংস্কৃতি বা লাঠির বাড়িতে আমাদের দেশের মানুষ তাড়াতাড়ি প্রতিক্রিয়া দেখায়। করোনার ভয়ে দোকান থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার উধাও হওয়া এর একটি উদাহরণ। ঢাকা শহরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার উধাও হবে, সেটি আমরা চিন্তাও করিনি। কারণ, স্যানিটাইজারকে বিলাসিতার সামগ্রী হিসেবেই ভাবা হতো। বাজারে তরল বা অন্য সাবানেরও চাহিদা বেড়েছে। এই সুযোগে কিছু ভেজাল জিনিসও বিক্রি হচ্ছে। মনে রাখতে হবে, সাবান-পানিই করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি কার্যকর। কারণ, এই ভাইরাসের আবরণ চর্বিযুক্ত, সাবান-পানিতে এটি খুব দ্রুত গলে যায়। এ ছাড়া ৭০ শতাংশ অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সাবান-পানিতেই আমরা বেশি গুরুত্ব দিই। যেকোনো ব্র্যান্ডের সাবান (কাপড় ধোয়া বা গোসলের)–পানিই করোনা প্রতিরোধে কার্যকর।


তবে হাত ধোয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই যথাযথ প্রক্রিয়া মানতে হবে। ৮-১০ বছর আগে আইসিডিডিআরবি একটি সমীক্ষা করেছিল। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ঘরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত থেকে এটি করা হয়েছিল। সমীক্ষার ফলাফল বলছে, আমরা যা বলি আর যা করি, তার মধ্যে বিরাট পার্থক্য আছে। জিজ্ঞেস করলে মানুষ বলে খাওয়ার আগে হাত ধুই, প্রক্রিয়া মেনে হাত ধুই—কিন্তু বাস্তবে ২০ শতাংশের বেশি মানুষ প্রক্রিয়া মেনে হাত ধোয় না। করোনা প্রতিরোধের জন্য ২০ সেকেন্ড হাত সাবান দিয়ে ঘষতে হবে। আঙুলের ফাঁক, নখ ও এক হাত দিয়ে আরেক হাত কচলিয়ে হাত ধুতে হবে। 

এর বাইরে আরেকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে। হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু বা রুমাল দিয়ে মুখ ঢেকে নেওয়া কিংবা কিছুই না থাকলে কনুই ভাঁজ করে হাতের আস্তিন দিয়ে নাক-মুখ ঢাকতে হবে। এটি খুবই সাধারণ শিষ্টাচারের বিষয়। আপনি যখন একজনের সঙ্গে কথা বলবেন, তখন আপনার কথার সঙ্গে থুতু ছিটে যাচ্ছে কি-না, হাঁচি-কাশির ছিটা অন্যের শরীরে বা কাপড়ে লাগছে কি না, তা লক্ষ রাখতে হবে। অবশ্য এই শিষ্টাচারের শিক্ষা মানুষ পরিবার থেকেই পায়। যেখানে সেখানে থুতু না ফেলাও এই শিষ্টাচারের অংশ।
সাধারণত এসব বিষয় মানুষকে শেখাতে অনেক দিন সময় লাগে। কিন্তু এখন করোনা–ঝুঁকির কারণে মানুষ হয়তো দ্রুত বিষয়টি আয়ত্ত করবে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে সেটি মেনে চলবে কি-না, সেটি সময়ই বলে দেবে।
খায়রুল ইসলাম: আঞ্চলিক পরিচালক, দক্ষিণ এশিয়া, ওয়াটারএইড

Comments

Popular posts from this blog

এইজলেস বিউটি A টু Z

সয়াবিন মোগলাই কারি

বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন