বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

তামিম-মুশফিকদের বেতন ঠিক হয় যেভাবে


তামিম-মুশফিকদের বেতন ঠিক হয় যেভাবে

ক্রীড়া প্রতিবেদক, ঢাকা
তামিম, লিটনদের বেতন কাঠামোটা ঠিক কেমন? ছবি : শামসুল হক তামিম, লিটনদের বেতন কাঠামোটা ঠিক কেমন? ছবি : শামসুল হক

 দুর্দান্ত ছন্দে আছেন লিটন দাস। কিছুদিন আগেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে দেশের হয়ে সবচেয়ে বড় স্কোর করা এই তারকাকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবার রেখেছে লাল ও সাদা দুই বলের চুক্তিতে। কিন্তু বেতনকাঠামোয় তিনি পড়েছেন ‘বি’ শ্রেণিতে। অন্যদিকে, দুই বছর পর কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ফেরা সৌম্য সরকার এক লাফে চলে গেছেন ‘এ প্লাস’ শ্রেণিতে। ফলে প্রশ্ন জাগাটা স্বাভাবিক, ক্রিকেটারদের বেতনকাঠামো আসলে তৈরি হয়ে কোন মানদণ্ডে?

বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান ও নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, খেলোয়াড়দের কেন্দ্রীয় চুক্তি ও বেতনের গ্রেড ঠিক করার প্রধান দুটি মানদণ্ড হচ্ছে পারফরম্যান্স আর ম্যাচসংখ্যা। কেন্দ্রীয় চুক্তিতে কাকে বাদ দেওয়া হবে, কাকে কোন গ্রেডে রাখা হবে, সেটি ঠিক করার জন্য ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ দায়িত্ব দেয় নির্বাচকদের। নির্বাচকেরা প্রথম দেখেন সর্বশেষ বছরে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স। পারফরম্যান্সের বিচারে ঠিক করেন কারা বাদ পড়বেন আর কারা থাকবেন। তাঁরা ঠিক করেন কারা থাকবেন লাল বলের চুক্তিতে, কারা সাদা বলে।

নির্বাচকেরা জানালেন, যাঁরা চুক্তিতে থাকবেন, তাঁদের বেতনকাঠামো বিন্যাস করা হয় ক্যারিয়ারের মোটম্যাচ সংখ্যা দিয়ে। যিনি তিন সংস্করণে যত বেশি ম্যাচ খেলবেন, তাঁর তত বেশি পয়েন্ট। এক টেস্ট খেললে ২ পয়েন্ট। সীমিত ওভারের ম্যাচপ্রতি ১ পয়েন্ট। যিনি যত খেলবেন, তাঁর পয়েন্ট তত বেশি। যেমন তিন সংস্করণে লিটন খেলেছেন ৮৪ ম্যাচ। সৌম্য সেখানে ১১৯ ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই লিটনের চেয়ে সৌম্য এগিয়ে থাকবেন।

এছাড়া সর্বশেষ দুই বছর যাঁরা যত বেশি ম্যাচ খেলেছেন তাঁদের পয়েন্ট বেশি হবে। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১০০-এর বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটাররাই সাধারণত থাকেন এ প্লাস শ্রেণিতে। কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ফেরা বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের বেতন তাই ৪ লাখ টাকা। অথচ গত বছর কেন্দ্রীয় চুক্তিতেই ছিলেন না সৌম্য!
 
তামিম ইকবাল-মুশফিকুর রহিমের মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররা ‘এ প্লাস’ শ্রেণিতে থাকেন এ মানদণ্ডে। একই নিয়মে বেতনকাঠামো ঠিক হয় বাকি ক্রিকেটারদেরও।

গত অক্টোবরের আন্দোলনের ১১ দফা দাবিতে চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড়ের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি বেতন বাড়ানোরও দাবি ছিল ক্রিকেটারদের। কিন্তু নতুন চুক্তিতে বিসিবি খেলোয়াড় সংখ্যা বা বেতন, কোনোটিই বাড়ায়নি। তারপরও আয় বেড়েছে বেশির ভাগ খেলোয়াড়ের। বিসিবি লাল বল ও সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য আলাদা চুক্তি করায় সাত ক্রিকেটার (মুশফিক, তামিম, লিটন, মিরাজ, তাইজুল, মিঠুন, নাজমুল) বেতন পাবেন দুই চুক্তি থেকেই। যাঁদের চুক্তি শুধু লাল বা সাদা বলে, গ্রেডিংয়ে উন্নতি হওয়ায় বেতন বাড়ছে তাঁদের অনেকেরই। শ্রেণি ভেদে গড়ে বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ ২৫-৫০ শতাংশ।

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা