বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

করোনায় বাংলাদেশে প্রথম মৃত্যু: আইইডিসিআর


করোনায় বাংলাদেশে প্রথম মৃত্যু: আইইডিসিআর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২০, ১৬:১৪

আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা। ফাইল ছবি 

আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা। ফাইল ছবিবাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। দেশে এই প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলো।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা আজ বুধবার বিকেলে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন। আইইডিসিআরর বিকেল সাড়ে তিনটায় এই সংবাদ ব্রিফিং হয়।


মীরজাদী সেব্রিনা বলেন, করোনাভাইরাসে মারা যাওয়া ব্যক্তি পুরুষ। তাঁর বয়স ৭০ বছর।

মারা যাওয়া ব্যক্তি বিদেশ থেকে আসা ও সংক্রমিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে জানান আইইডিসিআর পরিচালক।


মীরজাদী সেব্রিনা বলেন, ওই ব্যক্তি (মারা যাওয়া) উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। পাশাপাশি তাঁর হার্টে স্টেন্ট পরানো ছিল।

মীরজাদী বলেন, ‘আমরা বারবার বয়স্কদের বিশেষ নিরাপত্তার জন্য বলছি।’

আইইডিসিআর পরিচালক জানান, দেশে এখন পর্যন্ত ১৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১০। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪। নতুন আক্রান্ত চারজনের মধ্যে একজন নারী ও তিনজন পুরুষ। একজন পূর্বে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে ছিলেন। আর বাকি তিনজন বিদেশ থেকে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন ইতালি থেকে এবং একজন কুয়েত থেকে এসেছেন।

মীরজাদী সেব্রিনা বলেন, করোনাভাইরাসের ফলে হওয়া কোভিড-১৯ রোগটি মারাত্মক নয়। কিন্তু ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এখানে মৃত্যু ঝুঁকি থাকে না। এ ক্ষেত্রে সচেতন হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আরো পড়ুনঃ করোনায় বাংলাদেশে প্রথম একজনের মৃত্যু

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা