বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

গর্ভকালীন মায়ের খাবার

গর্ভকালীন মায়ের খাবার


গর্ভকালীন মায়ের খাবার
[ছবি: সংগৃহীত]
 
 
নারীর জীবনে গর্ভকালীন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন সুস্থ মায়ের কাছ থেকে সঠিক পুষ্টি পেতে পারে গর্ভের অনাগত সন্তান। আর তাই গর্ভকালীন একজন মায়ের খাদ্যাভ্যাস হতে হবে অবশ্যই পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যসম্মত। অনেকেই মায়ের খাবার নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন। কেউ কেউ মনে করেন, মায়ের বেশি খাবার খাওয়া উচিৎ নয়। এতে গর্ভের সন্তানের ওজন বেশি হবে এবং প্রসবে জটিলতা হবে।

আবার অনেকেই মনে করেন, একজন মায়ের দুইজনের খাবার খাওয়া উচিৎ। যা মোটেও ঠিক নয়। এতে মায়ের মুটিয়ে যাওয়া ছাড়াও ডায়াবেটিস কিংবা হাইপারটেনশন এর ঝুঁকি থাকে। তাই গর্ভবতী মায়ের খাবার হতে হবে সুষম। এজন্য প্রতিদিনের খাবারে খাদ্যের সব কয়টি উপাদানের উপস্থিতি থাকতে হবে।

প্রোটিন: প্রোটিন গর্ভস্থ শিশুর কোষ ও মস্তিষ্কের সঠিক গঠনে সহায়তা করে। প্রতিদিন অন্তত: ৮০-১০০ গ্রাম প্রোটিন জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করা উচিৎ। যেমন: মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, বাদাম, ডাল ইত্যাদি।

কার্বোহাইড্রেট: শর্করাজাতীয় খাবার শরীরে শক্তি যোগায়। ভাত, রুটি, চিড়া, মুড়ি, চিনি, গুড়, ইত্যাদি খাবার থেকে শর্করা পাওয়া যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত শর্করা এড়িয়ে চলা উত্তম।

ফ্যাট: চর্বিজাতীয় খাবার ভালো শক্তির উৎস। শরীরের স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক গঠন নিশ্চিত করতে চর্বি জাতীয় খাবার অবশ্যই খেতে হবে। যেমন: তেল, ঘি, মাখন ইত্যাদি।

এছাড়া গর্ভকালীন ভিটামিন ও মিনারেলস সমৃদ্ধ খাবার অত্যন্ত জরুরি। ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফলিক এসিড, জিংক ইত্যাদি মিনারেলস গর্ভস্থ শিশুর গঠনে ভূমিকা পালন করে। দুধ ও দুধজাতীয় খাবার, ছোট মাছ, মৌসুমি শাক-সবজি ও ফলমূল ইত্যাদি খাবার গর্ভস্থ শিশুর ভিটামিন ও মিনারেলস এর চাহিদা পূরণ করে।


ইত্তেফাক/এমআর

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা