বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড, সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন

  বাড়ির নির্মাণে কত টুকু- রড , সিমেন্ট এবং ইটের প্রয়োজন। সবারই স্বপ্ন থাকে মনের মত একটি সুন্দর বাড়ি করার। কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণের দরকার হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি … বাড়ি তৈরিতে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। নিন্মে লেখায় দেওয়া হিসাবটি জেনে রাখুন।   বাড়ি নির্মাণে কতটুকু- রড , সিমেন্ট , ইটের প্রয়োজন। ✓ ১০ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ✓ ০৫ ” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে। ✓ গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। ✓ নিচের ছলিং এ প্রতি ০১ ’ ( স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ✓ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থা ৎ ঘনফুট। ✓ এসএফটি অর্থা ৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ✓ ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০ ” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।   ✓ ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ও...

করোনা রোগী শোবেন যেভাবে

করোনা রোগী শোবেন যেভাবে

এহসানুর রহমান

প্রথম আলো

প্রোন পজিশনিং বা উপুড় করে শোয়া এবং হাফ লায়িং পজিশনিং বা আধশোয়া অবস্থা হলো করোনার চিকিৎসায় স্বীকৃত এক ধরনের পদ্ধতি। ফুসফুস পেছনের দিকে বিস্তৃত হওয়ায় বন্ধ শ্বাসনালি খুলতে এই পদ্ধতি বেশ সহায়ক। এতে ফুসফুসে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে। 

এহসানুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক, বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনস ইনস্টিটিউট, সিআরপি, সাভার, ঢাকা

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত অনেক রোগীই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কারও জটিলতা বেশি হলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে। তবে যে যেখানেই চিকিৎসা নিন না কেন, অন্যান্য ব্যবস্থার পাশাপাশি রোগীর সেরে ওঠার ক্ষেত্রে তাঁর শোবার ভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই এ বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে। 

প্রোন পজিশনিং বা উপুড় করে শোয়া এবং হাফ লায়িং পজিশনিং বা আধশোয়া অবস্থা হলো করোনার চিকিৎসায় স্বীকৃত এক ধরনের পদ্ধতি। ফুসফুস পেছনের দিকে বিস্তৃত হওয়ায় বন্ধ শ্বাসনালি খুলতে এই পদ্ধতি বেশ সহায়ক। এতে ফুসফুসে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে। এ পদ্ধতিতে বিশেষ করে শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন দেশে শ্বাসকষ্টের সমস্যা তীব্র হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভেন্টিলেটর দেওয়ার আগে রোগীকে এ সেবা দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, করোনায় সংক্রমিত রোগীকে দিনে ১৬ ঘণ্টা করে উপুড় করে শুইয়ে রাখতে হবে। টানা এত সময় রাখা না গেলে ২টি সেশনে এ চিকিৎসা দেওয়া যায়। ৪ ঘণ্টা করে সময় ভাগ করেও এ পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। এভাবে ফুসফুসে সহজে অক্সিজেন পৌঁছতে পারে। বাসায় যাঁরা আইসোলেশনে আছেন, তাঁরাও দিনে কয়েকবার উপুড় হয়ে শুয়ে শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা কমাতে পারেন। এতে ফুসফুসের সংকোচন–প্রসারণের সামর্থ্য বাড়ে, মিউকাস নিঃসরণ হয়, শ্বাসনালী বন্ধ হওয়ার প্রবণতা কমে আসে। হাসপাতালে এই চিকিৎসার আগে ফিজিওথেরাপিস্টের সহযোগিতা নিলে সুফল পাওয়ার হার বেড়ে যাবে। উপুড় হয়ে শুয়ে থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ব্রিদিং এক্সারসাইজ বা শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনস ইনস্টিটিউট, সিআরপি, সাভার, ঢাকা

Comments

Popular posts from this blog

সয়াবিন মোগলাই কারি

এইজলেস বিউটি A টু Z

ভারতের মুসলিমদের আশ্রয় দিক বাংলাদেশ-পাকিস্তান : তসলিমা